মেয়াদোত্তীর্ণ গুঁড়া মসলা নতুন মোড়কে, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা
কিশোরগঞ্জের মেয়াদোত্তীর্ণ গুঁড়া মসলা নতুন মোড়কে পুনরায় প্যাকেটজাত করে বাজারজাত করার অভিযোগে একটি মসলা প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আজ বুধবার (৩ জুন) দুপুরে কটিয়াদী পৌর এলাকার কামারকোনা মহল্লায় পরিচালিত অভিযানে ফ্যামিলি মশলা নামের একটি গুঁড়া মসলা তৈরির কারখানায় এই অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়।
অভিযানে দেখা যায়, বিভিন্ন দোকান থেকে ফেরত আসা মেয়াদোত্তীর্ণ মরিচের গুঁড়া, ধনিয়ার গুঁড়া, রেডি মিক্স মসলা ও বিরিয়ানি মসলা নতুন মোড়কে পুনরায় প্যাকেটজাত করা হচ্ছে। এ মসলার প্যাকেট নতুন উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ সংযোজন করে বাজারে সরবরাহ করা হচ্ছিল—যা ভোক্তা অধিকার ও খাদ্য নিরাপত্তা আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন কটিয়াদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা আফরোজ মারলিজ। অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় কারখানার দায়িত্বরত ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
অভিযান শেষে ইউএনও শামীমা আফরোজ মারলিজ বলেন, মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য নতুন মোড়কে বাজারজাত করা শুধু আইন লঙ্ঘনই নয়, এটি জনস্বাস্থ্যের জন্যও মারাত্মক হুমকি। অভিযানে আমরা দেখতে পেয়েছি, বিভিন্ন দোকান থেকে ফেরত আসা মেয়াদোত্তীর্ণ মসলা পুনরায় প্যাকেটজাত করে নতুন মেয়াদ উল্লেখ করে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছিল। ভোক্তাদের সঙ্গে এ ধরনের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তাই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে আইন অনুযায়ী জরিমানা করা হয়েছে। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে। ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের অপরাধে জড়িত হলে আরও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাহবুবুর রহমান, কিশোরগঞ্জ (বাজিতপুর-কটিয়াদি-নিকলী-পাকুন্দিয়া)