মাটির নিচে লুকিয়ে রাখা ২৯ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার চুরি, গ্রেপ্তার ১
মেহেরপুরের চোরের ভয়ে বাড়ির মাটির নিচে পুঁতে রাখা হয়েছিল ১১ ভরি ১৪ আনা স্বর্ণালংকার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই লুকিয়ে রাখা স্বর্ণই চুরি করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। বাড়িতে চলমান নির্মাণকাজের সুযোগে সংঘটিত এই চুরির পুরো ঘটনাটি ধরা পড়ে সিসিটিভি ক্যামেরায়। পরে সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ২৯ লাখ টাকা মূল্যের চুরি হওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় চোরচক্রের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জেলা পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। গ্রেপ্তার করা মোমিনের (৩৬) বাড়ি কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার বানিয়াপাড়া গ্রামে।
পুলিশ জানায়, কুয়েতপ্রবাসী শাহিন আলীর পরিবারের সদস্য নার্গিস খাতুন চোরের আশঙ্কায় ১১ ভরি ১৪ আনা স্বর্ণালংকার বাড়িতে মাটির নিচে পুঁতে রেখেছিলেন। সম্প্রতি বাড়িতে টাইলস বসানোর কাজ শুরু হলে নির্মাণকাজের ব্যস্ততার সুযোগ নিয়ে চোরচক্রের সদস্যরা মাটির নিচ থেকে স্বর্ণালংকার বের করে নিয়ে যায়। পুরো ঘটনাটি বাড়ির সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ে।
চুরির বিষয়টি জানার পর গাংনী থানা পুলিশ তদন্তে নামে। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ এলাকা থেকে চুরি হওয়া প্রায় ২৯ লাখ টাকা মূল্যের ১১ ভরি ১৪ আনা স্বর্ণালংকার উদ্ধার করে। একই সঙ্গে চোরচক্রের এক সদস্য মোমিনকে গ্রেপ্তার করে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মোর্শেদ চৌধুরী জানান, চুরির ঘটনার পর পরই পুলিশ তদন্ত শুরু করে। সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তকে শনাক্ত করা হয়। পরে অভিযান চালিয়ে চুরি হওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধার এবং একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধার হওয়া স্বর্ণালংকার আইনি প্রক্রিয়া শেষে প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় জড়িত চোরচক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

রেজ আন উল বাসার তাপস, মেহেরপুর