বাগমারায় ৫ বছরেও হয়নি কৃষক দলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি
রাজশাহীর বাগমারায় প্রায় পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও উপজেলা কৃষক দলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন ও অনুমোদন না হওয়ায় নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। বর্তমানে মেয়াদোত্তীর্ণ আহ্বায়ক কমিটি দিয়েই ধুঁকে ধুঁকে চলছে সংগঠনের কার্যক্রম।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালে আব্দুল জলিলকে আহ্বায়ক এবং শহিদুল ইসলামকে সদস্যসচিব করে বাগমারা উপজেলা কৃষক দলের তিন মাসের জন্য একটি আহ্বায়ক কমিটি দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে প্রায় পাঁচ বছর হতে চললেও আর পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত হয়নি। তবে সংগঠনকে গতিশীল করতে গত মাসে ৭১ সদস্যের একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রস্তাব করে জেলা কমিটির কাছে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়। প্রস্তাবিত এতে মনিরুজ্জামান চঞ্চলকে সভাপতি এবং মহিবুল ইসলাম রনিকে সাধারণ সম্পাদক করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
তবে মাস পেরিয়ে গেলেও জেলা কমিটি এ প্রস্তাবিত কমিটির অনুমোদন দেয়নি। স্থানীয় নেতাকর্মীদের অভিযোগ, জেলা পর্যায়ের নেতাদের ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের জেরে মনিরুজ্জামান চঞ্চলের সভাপতি পদ আটকানোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে। যদিও তৃণমূলের একটি বড় অংশের দাবি, চঞ্চল দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে সক্রিয় আছেন এবং দলের সংকটকালে মামলা-হামলায় আর্থিক ও আইনি সহায়তা দিয়ে নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছেন। ফলে তাকে বাদ দিয়ে অন্য কাউকে সভাপতি করা হলে তৃণমূল তা মেনে নেবে না।
এ বিষয়ে জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক শফিকুল আলম সমাপ্ত বলেন, বিএনপির মূল দল থেকেও মনিরুজ্জামান চঞ্চলের ব্যাপারে সুপারিশ রয়েছে এবং কমিটি অনুমোদনের সময় বিষয়টি গুরুত্বের সাথেই বিবেচনা করা হবে।

আলমগীর হোসেন, রাজশাহী (বাগমারা)