কলাবাগানে ককটেল বিস্ফোরণ, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের নেতাকর্মীসহ গ্রেপ্তার ৪
রাজধানীর কলাবাগান এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টার সময় কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের তিন ও যুবলীগের এক কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ধানমন্ডি মডেল থানা ও কলাবাগান থানা পুলিশ।
গ্রেপ্তার করা ব্যক্তিরা হচ্ছেন- তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা এলাকার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. শামিনুর রহমান (৫৩), তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা এলাকার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুন্নাহার লিপি (৫০), মো. নাজমুল হাসান (৪৯) ও মো. বিল্লাল হোসেন (৪৫)।
ধানমন্ডি মডেল থানা ও কলাবাগান থানা সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) আনুমানিক দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে ধানমন্ডি থানাধীন মিরপুর রোড কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের মাঠ সংলগ্ন এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের ১০-১৫ জন কর্মী ৭-৮টি মোটরসাইকেলে এসে ব্যানার প্রদর্শন এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করে। বিকট শব্দে ককটেল বিস্ফোরণের আওয়াজ পেয়ে ধানমন্ডি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। এ সময় দুর্বৃত্তরা তাকেও লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপ করলে তিনি কৌশলে নিজেকে রক্ষা করেন এবং নাজমুল ও বিল্লালকে গ্রেপ্তার করেন। পরে সেখান থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় কলাবাগান বাসস্ট্যান্ডের ওভারব্রিজের নীচে বিক্রমপুর মিস্টান্ন ভান্ডারের সামনে থেকে শামিনুর এবং কামরুন্নাহার লিপিকে গ্রেপ্তার করে কলাবাগান থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে নাজমুল কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন যুবলীগের কর্মী এবং অপর তিনজন আওয়ামী লীগের কর্মী।
অভিযান পরিচালনার সময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তিনটি তাজা ককটেল উদ্ধার করে। পরে গ্রেফতারকৃত আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তল্লাশি চালিয়ে আরও ১০টি ককটেলসহ সর্বমোট ১৩টি তাজা ককটেল উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার করা ১৩টি ককটেলই ডিএমপির বোম্ব ডিসপোজাল টিমের মাধ্যমে নিরাপদ উপায়ে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক