বাড়ছে পাঙ্গাস মাছের দাম
২০২৬-২৭ অর্থবছরের নতুন জাতীয় বাজেটে সাধারণ মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, জ্বালানি, চিকিৎসাসামগ্রী, মোবাইল ফোন, বিদ্যুৎ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে ব্যাপক কর ও শুল্ক ছাড়ের ইতিবাচক প্রস্তাব দেওয়া হলেও দেশের বাজারে এবার বাড়তে যাচ্ছে আমদানি করা পাঙ্গাস মাছের দাম।
আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বাজেট পেশ করার সময় এই প্রস্তাব করেন।
প্রস্তাবিত বাজেটে দেশের ভেতরের মৎস্য চাষি ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সুরক্ষায় এবং বিদেশি মাছের অনাকাঙ্ক্ষিত সয়লাব ঠেকাতে আমদানিকৃত পাঙ্গাস মাছের ওপর নতুন করে ভারী কর আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই শুল্ক আরোপের যৌক্তিকতা তুলে ধরে সুনির্দিষ্টভাবে প্রস্তাব করেন যে, দেশীয় মৎস্য চাষ ও মাছ প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের উপযুক্ত বাজার প্রতিরক্ষণ বা দেশীয় উদ্যোক্তাদের যথাযথ সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমদানিকৃত পাঙ্গাস মাছের ফিলেটের ওপর নতুন করে ২০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করছি।
সরকারের এই কঠোর পদক্ষেপের ফলে বিদেশ থেকে প্রক্রিয়াজাত করে আনা ফ্রোজেন বা প্যাকেটজাত পাঙ্গাস মাছের আমদানি খরচ একলাফে অনেক বেড়ে যাবে, ফলে খুচরা বাজারে এই আমদানি করা মাছের দাম বৃদ্ধি পাবে। অর্থমন্ত্রীর এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্তের কারণে দেশের স্থানীয় মৎস্য চাষিরা বাজারে ন্যায্যমূল্য পাবেন এবং দেশীয় মৎস্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পগুলো বিদেশি পণ্যের সাথে প্রতিযোগিতায় টিকে থেকে আরও বিকশিত হওয়ার বড় সুযোগ পাবে বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।

নিজস্ব প্রতিবেদক