মধুর ক্যান্টিনে ককটেল নিক্ষেপ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ককটেল ছুড়ে মেরেছে দুর্বৃত্তরা। তবে সেটি পুরোপুরি বিস্ফোরিত না হওয়ায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। পরবর্তী সময়ে পুলিশের বোমা ডিস্পোজাল ইউনিট এসে তা নিরাপদে নিষ্ক্রিয় করে।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে প্রত্যক্ষদর্শীরা।
তারা জানায়, বেলা পৌনে ১১টার দিকে মধুর ক্যান্টিনের পশ্চিম দরজার সামনে ককটেলটি ছুড়ে ফেলে দুর্বৃত্তরা। এতে হালকা শব্দ ও ধোঁয়া বের হলেও সেটি পুরোপুরি বিস্ফোরিত হয়নি। তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে উপস্থিত লোকজন পানি ঢেলে দেয় ককটেলে। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশের বোমা ডিস্পোজাল ইউনিট এসে তা নিরাপদে ফুটিয়ে নিষ্ক্রিয় করে।
ঘটনার সময় মধুর ক্যান্টিনে থাকা ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি আরিফ ইসলাম বলেন, এটি ক্যান্টিনের পশ্চিম দরজার সামনে পড়েছিল। কে বা কারা ককটেলটি ছুড়ে মেরেছে সেই বিষয়ে জানি না। তবে ছুড়ে মারার সময় হালকা শব্দ হয়।
এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের একটি অংশ ছাত্রদলের ওপর দোষ চাপাচ্ছে। ছাত্রলীগের অভিযোগ, ঢাবি কমিটিকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের পদবঞ্চিত নেতারা এটা ঘটিয়েছেন।
তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করে ছাত্রদলের নেতারা বলেছেন, ছাত্রলীগই এসব করে বিরোধীদের ওপর দোষ চাপাচ্ছে। যাতে বিরোধী মতের কেউ ক্যাম্পাসে আসতে না পারে। তাদের এই ষড়যন্ত্র পুরোনো।
এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম গোলাম রাব্বানী সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ। এই সুযোগে এরা একটা নৈরাজ্য সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে, যা সফল হয়নি। আমার বিশ্বাস, বিশ্ববিদ্যালয়ের কেউ এমন কাজ করেনি।’ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে সহযোগিতা করার জন্য আহ্বান জানান তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা