বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন রাকসুকে সহযোগিতা করছে না : আম্মার
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) কোনো কাজে সহযোগিতা করছে না বলে দাবি করেছেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার। আজ রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টায় সিনেট ভবনে রাকসুর ১০০ দিনের কার্যক্রম, পর্যালোচনা ও জবাবদিহিমূলক প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ দাবি করেন।
সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যেভাবে ডাকসুকে রিপ্রেজেন্ট করছে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সেভাবে রাকসুকে করছে না। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন রাকসুকে বিভিন্ন জায়গায় স্পেস দিচ্ছে না। তারা বিভিন্নভাবে ফাংশন করছে। আজ আমরা দেখেছি এআই নিয়ে একটি চমৎকার প্রোগ্রাম হয়েছে। শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক যত প্রোগ্রাম হবে, সেগুলো রাকসুর আয়োজনে হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু তারা আমাদের কিছুই জানাচ্ছে না।
আম্মার আরও বলেন, বিগত ৩৫ বছরের বাজেট উদঘাটন করা আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জিং বিষয় ছিল। অন্য কোনো ছাত্র সংসদ এখনো এটি করেনি বা এই পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়নি। বিগত সময়ের টাকা কোনো জায়গায় কোথায় আছে, তা বের করে আনা—তার পরও পুরো টাকার হিসাব এখনও দেওয়া হয়নি। কোনো কারণ ছাড়া ৪৯ লাখ টাকা উত্তোলন, মুজিব শতবর্ষ উদযাপনের জন্য ১৪ লাখ টাকা উত্তোলন—এ ধরনের অনিয়ন্ত্রিত লেনদেনের বিষয় আমরা আমাদের তদন্ত কমিটির মাধ্যমে গত মাসের ১৩ তারিখে জানতে পারি।
আম্মার আরও বলেন, হল সংসদগুলোতেও একই অবস্থা বিরাজ করছে। হলগুলোর প্রাধ্যক্ষরা হল সংসদ নেতাদের হুমকি দিচ্ছেন যে, ক্ষমতায় এলে তারা যে কাউকে বরখাস্ত করে দেবেন।
আম্মার বলেন, রাকসুতে যারা বিজয়ী হয়েছে, তাদের সবার ইশতেহার বাস্তবায়ন করেই আমরা আগামী ১৬ অক্টোবর বিদায় নেব। এটি আমাদের প্রতিশ্রুতি।

রাবি সংবাদদাতা