বস্ত্র-ব্যাংকে লেনদেন ২৭ শতাংশ
দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে বস্ত্র খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ার। এতে খাতটি লেনদেনের শীর্ষে অবস্থান করছে। পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে ব্যাংক খাত। দুই খাতে সম্মিলিতভাবে লেনদেন হয়েছে ২৬ দশমিক ৯২ শতাংশ।
ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, গত সপ্তাহে মোট লেনদেন হয়েছে পাঁচ হাজার ৭৩৫ কোটি ৭৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এতে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ ছিল এক হাজার ৪৩৩ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। পুঁজিবাজারে বর্তমানে ২১টি খাতে মোট ৪১২টি প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে বস্ত্র এবং ব্যাংক এই দুই খাতের ৯৪টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৫৪৩ কোটি ৬৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা। বাকি ১৯টি খাতের ৩১৮টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে চার হাজার ১৯২ কোটি সাত লাখ ৪০ হাজার টাকা।
শীর্ষ অবস্থানে থাকা বস্ত্র খাতের ৫৮টি প্রতিষ্ঠানে মোট লেনদেন হয়েছে ৭৯৭ কোটি ১৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এই খাতে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১৯৯ কোটি ২৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা, যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ১৩ দশমিক ৯০ শতাংশ।
লেনদেনে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ব্যাংক খাতের ৩৪টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে ৭৪৬ কোটি ৪৮ লাখ ৮০ হাজার টাকার শেয়ার, যা মোট লেনদেনের ১৩ দশমিক শূন্য দুই শতাংশ।
অন্যান্য খাতের মধ্যে সাধারন বিমা খাতে ১১ দশমিক ৪৭ শতাংশ, ওষুধ রসায়ন খাতে ১০ দশমিক ৮৩ শতাংশ, প্রকৌশল খাতে ৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ, বিবিধ খাতে আট দশমিক ৫৫ শতাংশ, আইটি খাতে পাঁচ দশমিক ১১ শতাংশ, নন-ব্যাংকিং আর্থিক খাতে চার দশমিক ৭৪ শতাংশ, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতে চার দশমিক ৪৮ শতাংশ, জ্বালানি ও শক্তি খাতে তিন দশমিক ৫১ শতাংশ, সেবা আবাসন খাতে তিন দশমিক ২১ শতাংশ, জীবন বিমা খাতে দুই দশমিক ১৪ শতাংশ, টেলিকম খাতে এক দশমিক ৯৪ শতাংশ, সিরামিক খাতে এক দশমিক ৭৩ শতাংশ, সিমেন্ট খাতে এক দশমিক ২৬ শতাংশ, পেপার ও প্রিন্টিং খাতে এক দশমিক ২১ শতাংশ এবং মিউচুয়াল ফান্ড খাতে এক দশমিক ১৯ শতাংশ লেনদেন হয়েছে।
বাকি খাতগুলোর মধ্যে ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে শূন্য দশমিক ৭৭ শতাংশ, চামড়া খাতে শূন্য দশমিক ৭৪ শতাংশ, পাট খাতে শূন্য দশমিক ১৭ শতাংশ এবং করপোরেট বন্ড খাতে শূন্য দশমিক শূন্য ছয় শতাংশ লেনদেন হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক