আফিফ ঝড়ে মালানের শতক ম্লান
বরাবরের মতোই ব্যর্থ সৌম্য সরকার ও সাব্বির রহমান। তবে ব্যাট হাতে সেঞ্চুরি করে কুমিল্লাকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেন ডেভিড মালান। কিন্তু রাজশাহীর তরুণ ক্রিকেটার আফিফ হোসেনের দারুণ ইনিংসের কাছে বৃথা গেল মালানের চেষ্টা। তাই সহজেই সাত উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয় রাজশাহী।
আজ মঙ্গলবার চট্টগ্রাম পর্বের শেষ ম্যাচে এই জয়ের সুবাদে আট পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয়তে উঠে এলো আন্দ্রে রাসেলের রাজশাহী। অন্যদিকে চার পয়েন্ট নিয়ে পঞ্চম অবস্থানেই থেকে গেল কুমিল্লা।
জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস জিতে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় রাজশাহী রয়্যালস। রাজাপাকসের সঙ্গে ওপেনিংয়ে নামেন ডেভিড মালান। ইনিংসের শুরুতে ভালো কিছু করার আভাস দেন দুই বিদেশি ব্যাটসম্যান। কিন্তু রাজাপাকসেকে ফিরিয়ে সেই চেষ্টা বৃথা করে দেন আফিফ হোসেন। এলবির ফাঁদে ফেলে রাজাপাকসেকে ১০ রানে নিজের শিকার বানান আফিফ।
দ্বিতীয় উইকেটে সাব্বির রহমানকে নিয়ে কিছুটা টানেন মালান। ষষ্ঠ ওভারে সাব্বিরকে আউট করে এই জুটি ভাঙেন রাজশাহী অধিনায়ক আন্দ্রে রাসেল। চলতি বিপিএলে রানের খোঁজে থাকা সাব্বির করেন পাঁচ রান।
এরপর একে একে হতাশ করেন সৌম্য সরকার, দাসুন শানাকা, ইয়াসির আলী। ছন্দের খোঁজে থাকা সৌম্য করেন ২০ রান আর অধিনায়ক শানাকা করেন ১১ রান। সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মধ্যেই মাত্র ৫৪ বলে সেঞ্চুরি তুলে নেন মালান। তাঁর একার চেষ্টায় নির্ধারিত ওভারে শেষ পর্যন্ত ১৭০ রান সংগ্রহ করে কুমিল্লা। ইনিংস শেষে ১০০ রানে অপরাজিত ছিলেন মালান। ৫৪ বলে তাঁর ইনিংসটি সাজানো ছিল পাঁচ ছয় আর নয়টি বাউন্ডারিতে।
রাজশাহীর হয়ে বল হাতে দুটি উইকেট নেন আবু জায়েদ রাহি, আন্দ্রে রাসেল ও ইরফান। এ ছাড়া একটি করে নিয়েছেন আফিফ হোসেন ও রবি বোপারা।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ওভারের ১৩ বল আগেই জয় তুলে নেয় রাজশাহী রয়্যালস। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭৬ করেন আফিফ। তাঁর ইনিংসটি সাজানো ছিল আটটি চার ও দুটি ছক্কায়। এ ছাড়া ৪০ রান করেন বোপারা। লিটন দাসের ব্যাট থেকে আসে ২৭ রান।

স্পোর্টস ডেস্ক