ব্যাটিংয়ের ধরন পাল্টানোর পক্ষে নন সাকিব
হায়দরাবাদ টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৮২ রানের একটি ইনিংস খেলেছেন সাকিব আল হাসান। স্বাভাবিক ভাবে তাঁর এই ইনিংস যথেষ্ঠই ভালো মনে হবে। তবে প্রশ্ন উঠে তাঁর এই ইনিংসটি খেলার ধরন দেখে।
সাকিব এদিনের ইনিংসটি খেলতে বল খরচ করেছেন ১০৩টি, যাতে ১৪টি চারের মার ছিল। যে কারোই দেখলে মনে হবে, তিনি কি ওয়ানডে নাকি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন! কারণ দ্রুত রান তোলার চেষ্টা অনেক সময় দলের জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে।
হয়েছেও তাই, অশ্বিনের বাজে বলের শিকার হন বিশ্বের অন্যতম সেরা এই অলাউন্ডার। এতে তিনি যেমন সেঞ্চুরি বঞ্চিত হয়েছেন, তেমনি দলও কিছুটা ব্যাকফুটে চলে যায়। তাই প্রশ্ন উঠেছে টেস্ট ক্রিকেটে কেন এত দ্রুত রান তোলার চেষ্টা?
ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলির কথাই ধরা যাক, সীমিত ওভারের ক্রিকেটে তিনি খুবই বিস্ফোরক, আর সাদা পোশাকে ব্যাটিংয়ে নামলে ধরন একেবারেই পাল্টে ফেলেন। সাকিব কেন এমন?
হায়দরাবাদে দিন শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে কোহলির উদাহরণ টেনে প্রশ্ন করতেই সাকিব এই সম্পর্কে কোনো কথা বলেনি, শুধু মাথা নাড়লেন। হয়তো উত্তর না দিয়ে বেঝাতে চেয়েছেন, ব্যাটিংয়ের ধরন পরিবর্তনের পক্ষে নন তিনি।
তবে ব্যাটিং করার সময় এত কিছু চিন্তা করা যায় না বলে মনে করেন এই বাঁ-হাতি অলরাউন্ডার, ‘আসলে যে শট খেলতে ভালো লাগে, সেটি খেলে থাকি আমি। এতে কখনো সফল হই, আবার কখনো ব্যর্থ হই। এটা আমার স্বাভাবিক খেলা। আমি এভাবেই খেলতে পছন্দ করি। আর ধরন পাল্টালে তো আর সাকিব থকব না আমি।’
এর আগে ওয়েলিংটনে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২১৭ রানের ইনিংস খেলে যেমন প্রশংসিত হয়েছেন, তেমনি বাজেভাবে আউট হয়ে সমালোচিতও হয়েছিলেন সাকিব। ঠিক একই অবস্থা হয়েছে হায়দরাবাদেও দলের প্রয়োজন মুহূর্তে চমৎকার একটি ইনিংস খেলে অশ্বিনের বাজে বলের শিকার হন বিশ্বের অন্যতম সেরা এই অলরাউন্ডার।

ক্রীড়া প্রতিবেদক