সিরিজটাই কি ফসকে গেল ইংল্যান্ডের?
এটা যেন চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আগে ইংল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকার ওয়ানডে সিরিজের পুনঃদৃশ্যায়ন। সেবার সিরিজের প্রথম ম্যাচটা বড় ব্যবধানে জিতেছিল ইংল্যান্ড। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচটা জিতে সমতায় ফিরতে ১২ বলে ২০ রান দরকার ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার। শেষ ওভারে মার্ক উডের অসাধারণ বোলিং নৈপূণ্যে ২ রানে ম্যাচটা জিতে নেয় ইংল্যান্ড। ফলে সিরিজে আর ফেরা হয়নি প্রোটিয়াদের।
চ্যাম্পিয়নস ট্রফির পর এবার টি-টোয়েন্টির লড়াই। এখানেও প্রথম ম্যাচটা বড় ব্যবধানে জিতে ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় ম্যাচটাও হাতের মুঠোয় ছিল ইংলিশদের। তবে শেষ ওভারের নাটকীয়তায় ম্যাচটা তিন রানে জিতে নিল দক্ষিণ আফ্রিকা। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ইংল্যান্ডের দরকার ছিল ১২ রান। ফেলুকায়োর মাপা বোলিংয়ে ৮ রানের বেশি নিতে পারেননি লিয়াম ডসন ও লিয়াম লিভিংস্টোনের মতো ব্যাটসম্যানরা।
এই জয়ে সিরিজে ফিরল দক্ষিণ আফ্রিকা। এখন প্রশ্ন উঠেছে, এই হারে সিরিজটাই কি হেরে বসল ইংল্যান্ড। দক্ষিণ আফ্রিকা্র করা ১৭৪ রানের জবাবে খেলতে নেমে একটা সময় জয়ের হাতছানি দেখতে পাচ্ছিল ইংল্যান্ড। তবে জেসন রয় ও জস বাটলারের আউটে শেষ পর্যন্ত হার নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইয়ন মরগানের দল।
টনটনের কাউন্টি মাঠে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে জেজে স্মাটস ও এবি ডি ভিলিয়ার্সের ব্যাটে দুর্দান্ত শুরু করে দক্ষিণ আফ্রিকা। মাত্র ১১ ওভারে ৯৬ রান তুলে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। ৩৫ বলে ৪৫ রান করেন স্মাটস। আর ২০ বলে ৪৬ রান করেন ডি ভিলিয়ার্স। চারটি চার ও তিনটি ছক্কায় করেন প্রোটিয়া অধিনায়ক। শেষের দিকে ফারহান বেহারদিনের ব্যাটে ১৭৪ রানের বড় স্কোর দাঁড় করায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ২১ বলে ৩২ রান করেন এই ব্যাটসম্যান।
১৭৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই আউট হন স্যাম বিলিংস। তবে জেসন রয় ও জনি বেয়ারস্টোর ব্যাটে জয়েরে হাতছানি দেখছিল ইংল্যান্ড। এই দুইজন ১১০ রান যোগ করেন। তবে বেয়ারস্টোকে ফিরিয়ে প্রোটিয়াদের খেলায় ফেরান ক্রিস মরিস। ৪৭ রান করেন বেয়ারস্টো। পরের ওভারে আউট হন রয়। ৬৭ রান করেন তিনি। এরপর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি ইংল্যান্ড। শেষ পর্যন্ত তিন রানে হেরে যায় ইংল্যান্ড।

স্পোর্টস ডেস্ক