সোহাগের ঘূর্ণিতে বরিশালের জয়
অনেক দিন ধরে জাতীয় দলের বাইরে অফস্পিনার সোহাগ গাজী। গত বছর আগস্ট-সেপ্টেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের পর আর বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাননি। সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশন শুধরে মাঠে ফেরা সোহাগ জাতীয় ক্রিকেট লিগের চতুর্থ রাউন্ডে দারুণ সাফল্য পেয়েছেন। সিলেটের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে তিন উইকেট নেওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিয়েছেন তিনি। সোহাগের ঘূর্ণি-জাদু বরিশালকে এনে দিয়েছে ১৫০ রানের বড় জয়। চতুর্থ রাউন্ডের বাকি তিনটি ম্যাচই অমীমাংসিতভাবে শেষ হয়েছে।
মঙ্গলবার বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে সিলেটের সামনে লক্ষ্য ছিল ৪৪৮ রানের। জাকির হোসেন ১৩৭ রান করে অপরাজিত থেকেও দলের হার এড়াতে পারেননি। ২৯৭ রানে দ্বিতীয় ইনিংস গুটিয়ে যায় সিলেটের। ১১২ রানে পাঁচ উইকেট নেন সোহাগ।
ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে ঢাকা বিভাগের সামনে খুলনা ৪৭০ রানের বিশাল লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছিল। দুই উইকেটে ৩৭ রান নিয়ে ব্যাট করতে নেমে সাত উইকেটে ২৩৩ রানে চতুর্থ দিন পার করে দিয়েছে ঢাকা।
চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিভাগের ম্যাচও অনুমিতভাবে ড্র হয়েছে। প্রথম ইনিংসে রাজশাহীর ২০৮ রানের জবাবে চট্টগ্রাম ৩৫০ রান করেছিল। তাই ১৪২ রানের লিড পেয়েছিল চট্টগ্রাম। দ্বিতীয় ইনিংসে নাজমুল হোসেন শান্তর (১০১) শতকে রাজশাহী ছয় উইকেটে ২৭৩ রান করেছে।
খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে প্রথম ইনিংসে ঢাকা মেট্রোর ২৪৫ রানের জবাবে রংপুরের ইনিংস থেমে যায় ২৯৯ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ঢাকা মেট্রো মেহরাব হোসেন জুনিয়রের (১০৯) শতকে সাত উইকেট হারিয়ে ৩৫২ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে। ২৯৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে রংপুর তিন উইকেটে ৭২ রান নিয়ে চতুর্থ দিন শেষ করলে জয়-পরাজয়ের নিষ্পত্তি ছাড়াই শেষ হয় ম্যাচটি।

ক্রীড়া প্রতিবেদক