হাতাহাতির ঘটনায় পারেদেসের কি শাস্তি চান গাভি?
টানা দ্বিতীয় শিরোপা ঘরে তোলার সুযোগ ছিল আর্জেন্টিনার সামনে। কিন্তু ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে সেভাবে কিছুই করতে পারেনি লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। ফলাফল হিসেবে ১-০ গোলের হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে আলবিসেলেস্তেদের। তবে এই হার মেনে নিতে পারেননি আর্জেন্টিনার কয়েকজন ফুটবলার। ম্যাচ শেষে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন তারা।
স্পেনের উদযাপনের সময় দেখা যায় আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেস ও ডিফেন্ডার নাহুয়েল মলিনা স্পেনের মিডফিল্ডার গাভিকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেন। ঘটনাটি নিয়ে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে ফিফা। তদন্ত শেষে এ ধরনের আচরণের জন্য অন্তত তিন ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হতে পারেন তারা।
বিষয়টি নিয়ে এবার কথা বলেছেন স্পেনের মিডফিল্ডার গাভি। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানিয়েছেন, এ ঘটনায় গাভির অতিরিক্ত শাস্তি হওয়া উচিত নয়।
গাভি বলেন, ‘না, সত্যি বলতে কি, আমি মনে করি না তাকে নিষিদ্ধ করা উচিত। আমি বুঝি যে এটি শিশুদের জন্য ভালো কোনো উদাহরণ নাও হতে পারে। তবে আমি মনে করি ফুটবলে এই তীব্র এবং কিছুটা কঠোর অংশটি সত্যিই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।’
গাভির মতে, রেফারির বিষয়টি মাঠেই সমাধান করা উচিত ছিল। তিনি বলেন, ‘আমার মতে, সবচেয়ে যুক্তিসঙ্গত সমাধান হতে পারে ম্যাচের সময় সরাসরি লাল কার্ড দেখানো, আর ব্যস ওখানেই শেষ। তবে আমি যেমনটা বলেছি, শেষ পর্যন্ত এটি ফুটবলেরই অংশ এবং আমার মনে হয় ফুটবল সবসময়ই এমন ছিল।’
যেভাবে সূত্রপাত হাতাহাতির
ম্যাচ শেষ হওয়ার বাঁশি বাজতেই স্প্যানিশ খেলোয়াড়রা শিরোপা উল্লাসে মেতে ওঠেন। তখন ম্যানচেস্টার সিটির স্প্যানিশ মিডফিল্ডার রদ্রি সতীর্থদের সঙ্গে যোগ দিতে যাওয়ার সময় আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার নাহুয়েল মলিনা তাকে চড়-ঘুষি মারেন বলে অভিযোগ ওঠে। আর এখান থেকেই শুরু হয় তুলকালাম কাণ্ড।
রদ্রি প্রতিবাদ জানালে মলিনা ও লিয়ান্দ্রো পারেদেস তেড়ে আসেন। স্পেনের এরিক গার্সিয়া এগিয়ে এলে পারেদেস তার গলা চেপে ধরেন। গাভি পরিস্থিতি শান্ত করতে চাইলে থিয়াগো আলমাদা তাকে মাটিতে ফেলে দেন এবং পারেদেস তার মুখে ধাক্কা দেন। এমনকি ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালাও এরিক গার্সিয়ার গলা চেপে ধরেছেন এবং দানি ওলমোকে আঘাত করেছেন।

স্পোর্টস ডেস্ক