চার-ছক্কার তাণ্ডবে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ
ম্যাচের ভাগ্য লিখে দিয়েছিলেন বোলাররাই। আঁটোসাঁটো বোলিংয়ে মালয়েশিয়াকে অল্পতেই আটকে রাখেন রাকিবুল হাসান-আবু হায়দার রনিরা। এরপর বাকি কাজটা সাড়েন ব্যাটাররা। মিরপুরে সফরকারী বোলারদের ওপর তাণ্ডব চালান তারা। এতে সহজ জয়ে সিরিজ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ এইচপি দল।
আজ সোমবার (১০ আগস্ট) মিরপুরে শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ১০৫ রান করে মালয়েশিয়া। জবাব দিতে নেমে ৭.৩ ওভারেই ৭ উইকেট হাতে রেখে জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। এই জয়ে দুই ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজ ২-০ ব্যবধানে জিতল স্বাগতিকরা।
ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আগ্রাসী ব্যাটিং করে বাংলাদেশ। দুই ওপেনার জাওয়াদ আবরার আর জিসান আলম চার-ছক্কার ফুলঝুরি ফোটান। তাদের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে মাত্র ৩.১ ওভারেই দলীয় হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করে নেয় বাংলাদেশ।
ইনিংসের শুরু করতে নেমে তাণ্ডব চালান ওপেনার জাওয়াদ। চার-ছক্কার ঝলকে ৮ বলে ২৩ রানের ক্যামিও খেলেন তিনি। ইনিংস অবশ্য লম্বা করতে পারেননি, থেমেছেন এখানেই। এরপর একই বার্তা দিয়ে ফিরেছেন আরিফুল ইসলাম (৩ বলে ৪)।
জাওয়াদ ফিরলেও তাণ্ডব অব্যাহত রাখেন জিসান। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে হাফসেঞ্চুরি করে বাংলাদেশকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান তরুণ এই হার্ডহিটার ব্যাটার। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ২১ বলে ৫৭ রানে।
মাঝে ৮ বলে ১২ রান করে সাব্বির রহমান ফিরলেও বাংলাদেশের জয় পেতে কোনো অসুবিধা হয়নি। ৭.৩ ওভারেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ এইচপি দল।
এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় মালয়েশিয়া। তবে শুরুটা ভালো করতে পারেনি তারা। দ্রুতই সফরকারীদের প্রথম উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। শূন্য রান করা ওপেনার সাইফকে ফেরান মিস্ট্রি-স্পিনার রুবেল হোসেন।
আরেক ওপেনার আসলাম খানও বেশি সময় উইকেটে থাকতে পারেননি। ২০ বলে ১৮ রান করে রাকিবুল হাসানের শিকার হয়ে ফেরেন তিনি।
এরপর কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন অধিনায়ক সৈয়দ আজিজ ও আকিল ওয়াহিদ। যদিও ধরিগতির ব্যাটিং করেন তারা। তবে এই দুজনের ব্যাটিংয়েই শতক ছাড়ায় মালয়েশিয়া। ৫২ বলে ৪০ রান করেন আজিজ আর ৩৩ বলে ৩০ রান করেন আকিল।
শেষদিকে মুনিয়ান্দি ৭ বলে ১১ রান ও ভিজায় ৩ বলে ২ রানে অপরাজিত থাকেন।
বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ দুটি উইকেট শিকার করেন আবু হায়দার রনি। একটি করে উইকেট পান রুবেল হোসেন আর রাকিবুল হাসান।

স্পোর্টস ডেস্ক