আরব আমিরাতের বিপক্ষে ড্র করল মুশফিক-মিরাজরা
আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট ম্যাচে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। এর আগে নিজেদের ঝালিয়ে নিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে ২ দিনের একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। আরব আমিরাতের বিপক্ষে ড্র দিয়েই শেষ হয়েছে বাংলাদেশের প্রস্তুতি।
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নিজেদের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ২৩৪ রানে গুটিয়ে যায়। তবে ম্যাচের শেষ দিনে দুর্দান্ত বোলিং ও দ্বিতীয় ইনিংসে দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের সুবাদে ম্যাচটি ড্র করে শেষ করেছে সফরকারীরা।
ম্যাচের শুরুতে প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে সৌম্য সরকার ও সাদমান ইসলাম মিলে দলকে বেশ ভালো শুরু এনে দিয়েছিলেন। উদ্বোধনী জুটিতেই ১০৮ রান তোলেন তারা। সাদমান আউট হলে ভাঙে সেই জুটি। ৯৫ বল থেকে ৪৬ রান আসে তার ব্যাট থেকে।
এরপর দ্রুতই রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে ফিরে যান আরেক ওপেনার সৌম্য সরকার। এর আগেই হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। ফেরার আগে সৌম্যর ব্যাট থেকে আসে ৯২ বলে ৫৭ রান।
তিন নম্বরে নামা মুমিনুল হকও শুরুটা ভালোই করেছিলেন। তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনি। ৬৩ বল থেকে ৩৩ রান আসে মুমিনুলের ব্যাট থেকে। এরপর আর বলার মতো কেউ রান করতে পারেননি। শুধু স্পিনার নাঈম হাসান ৭৫ বলে ৩৬ রান করেন। ৭৮.১ ওভার ব্যাটিং করে বাংলাদেশ থামে ২৩৪ রানে।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে প্রথম দিন শেষে ১ উইকেট হারিয়ে ৩৪ রান সংগ্রহ করেছিল স্বাগতিক আমিরাত দল। ম্যাচের দ্বিতীয় ও শেষ দিনে অবশ্য স্বাগতিকদের খুব একটা সুবিধা করতে দেননি টাইগার বোলাররা। দুর্দান্ত বোলিং নৈপুণ্যে আরব আমিরাতকে ২২২ রানে গুটিয়ে দেয় বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের হয়ে ইকবাল হোসেন ইমন একাই শিকার করেন ৪টি উইকেট। এছাড়া অভিজ্ঞ স্পিনার তাইজুল ইসলাম ঝুলিতে পুরেন ৩টি উইকেট। আর পেসার ইবাদত হোসেন, খালেদ আহমেদ ও অফ স্পিনার নাইম হাসান প্রত্যেকে নেন একটি করে উইকেট।
প্রথম ইনিংস শেষে মাত্র ১২ রানের ছোট্ট লিড হাতে নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। দলের পক্ষে ইনিংসের গোড়াপত্তন করে ভালো একটি শুরু উপহার দেন মুমিনুল হক ও সাদমান ইসলাম। মুমিনুল ২৪ এবং সাদমান ৩২ রান করে সাজঘরে ফেরেন।
এরপর অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিমের ব্যাট থেকে আসে চমৎকার ৪৪ রানের ইনিংস। এছাড়া জাকের আলী অনিক ১১ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন।
দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ দল ২৬.৫ ওভার ব্যাট করে ৩ উইকেটে ১১৪ রান তোলার পর দুই দলের সমঝোতার ভিত্তিতে ম্যাচটি ড্র ঘোষণা করা হয়। আমিরাতের বোলারদের মধ্যে সিমরানজিত সিং দুটি এবং জুনাইদ ও হায়দার একটি করে উইকেট লাভ করেন।

স্পোর্টস ডেস্ক