অর্থ আত্মসাতে অভিযুক্ত এস কে সিনহা
ঋণের মাধ্যমে চার কোটি টাকা স্থানান্তর ও আত্মসাতের মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহাসহ ১১ জনের অভিযোগপত্র দাখিল করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
আজ মঙ্গলবার ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ কে এম ইমরুল কায়েসের আদালতে এ অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কর্মকর্তা দুদক পরিচালক বেনজীর আহমেদ।
আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) মো. জুলফিকার বলেছেন, আজ আদালতে অভিযোগপত্রটি উপস্থাপন করা হলে বিচারক এটি ‘দেখেছেন’ মর্মে আদেশ দিয়েছেন।
ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভুয়া ঋণের মাধ্যমে চার কোটি টাকা স্থানান্তর ও আত্মসাৎ করার অভিযোগ এনে গত ১০ জুলাই মামলাটি করে দুদক।
মামলার আসামিরা হলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা, ফারমার্স ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এ কে এম শামীম, ব্যাংকটির সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট, সাবেক ক্রেডিট প্রধান গাজী সালাহউদ্দিন, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট স্বপন কুমার রায়, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও গুলশান শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক মো. জিয়া উদ্দিন আহমেদ, গুলশান শাখার ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট শাফিউদ্দিন আসকারী, ভাইস প্রেসিডেন্ট লুৎফুল হক, এস কে সিনহার কথিত পিএস রণজিৎ চন্দ্র সাহা, রঞ্জিতের স্ত্রী সান্ত্রী রায় (সিমি), টাঙ্গাইলের মো. শাহজাহান ও নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ফারমার্স ব্যাংকের (বর্তমানে পদ্মা ব্যাংক) কিছু কর্মকর্তার যোগসাজশে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে চার কোটি টাকার ঋণ অনুমোদন করিয়ে নেওয়া হয়। পরে ‘রাষ্ট্রের একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির’ নামে হস্তান্তর দেখিয়ে আত্মসাৎ ও অর্থ পাচার করা হয়। দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয় ১-এ মামলাটি করে।
দুদক সূত্র জানায়, গত বছরের জানুয়ারিতে এ অনুসন্ধান শুরু হয়। ফারমার্স ব্যাংকে জালিয়াতির ঘটনা অনুসন্ধান করতে গিয়ে বিষয়টি নজরে আসে দুদকের। পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন ও সহকারী পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধানের সমন্বয়ে গঠিত একটি দলকে অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়। দীর্ঘ অনুসন্ধান শেষে তাঁরা কমিশনে প্রতিবেদন জমা দেন।

অদালত প্রতিবেদক