পাম্পে ‘তেল নেই’ স্টিকার, অভিযানে পাওয়া গেল প্রায় ৪০০০ লিটার জ্বালানি
গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে একটি ফিলিং স্টেশনকে অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুত রেখে অতিরিক্ত দামে বিক্রির দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির মুন্সী। ফিলিং স্টেশনটি বাইরে ‘তেল নেই’ স্টিকার লাগিয়ে জ্বালানি তেল মজুত করছিল বলে জানা গেছে।
আজ বুধবার (১৫ এপ্রিল) চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার পার্বতীপুর ইউনিয়নের বড়দাদপুরে অবস্থিত মেসার্স ব্রাদার্স অ্যান্ড সিস্টার ফিলিং স্টেশনকে এ জরিমানা করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির মুন্সী জানান, অবৈধভাবে পেট্রল মজুত রেখে অতিরিক্ত মুনাফা ও সরকারকে বিপদে ফেলতে আজ সকাল থেকে জ্বালানি নেই বলে স্টিকার ঝুলিয়ে বিক্রি বন্ধ রাখা হয়। পরে অভিযান পরিচালনা করে অবৈধভাবে জ্বালানি মজুত রাখার সত্যতা মেলে। এরপর বিক্রি বন্ধ রাখার অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত মাধ্যমে ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে আদায় করা হয়।
মো. জাকির মুন্সী বলেন, অভিযানে পাম্পে পেট্রল তিন হাজার ২৬৯ লিটার, অক্টেন ১৪৬ লিটার ও ডিজেল ৫৭৭ লিটার অবৈধভাবে মজুতের প্রমাণ মেলে। এরপর ফিলিং স্টেশনের কর্মচারী শ্রী অভিজিৎ এক্কাকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে এই জরিমানা করা হয় এবং মজুত করা জ্বালানি বিক্রির নির্দেশ দেওয়া হয়।
এই ফিলিং স্টেশনটিতে ট্যাগ অফিসার হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন উপজেলা আইসিটি অফিসার মো. জাহেদুল ইসলাম কিন্তু আজকে সকাল থেকেই তিনি অনুপস্থিত ছিলেন।

শাহিন আলম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ (গোমস্তাপুর-ভোলাহাট)