‘কোটিপতি’ পিয়নের তিন বাড়ি ও তিন স্ত্রী, অবশেষে আটক
বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের চতুর্থ শ্রেণির এক কর্মচারীকে আজ শুক্রবার আটক করেছে সদর মডেল থানা পুলিশ। আটক ইয়াছিন মিয়া ওই অফিসের পিয়ন।
সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন জানান, ভোরে ইয়াছিনকে জেলা সদর থেকে আটক করা হয়।
ইউএনবি এক প্রতিবেদনে জানায়, পিয়ন ইয়াছিন নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় গত ২৯ নভেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন সদর উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার মো. মোস্তাফিজুর রহমান।
সামান্য পিয়ন পদে চাকরি করে ইয়াছিন অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়রা জানায়, জেলা শহরে রয়েছে তার তিনটি বাড়ি, সঙ্গে তিন স্ত্রীও।
প্রায় সময়ই অফিসের নকল, তল্লাশি ও রেজিস্ট্রেশন ফিসহ চালানের টাকা সোনালী ব্যাংকে জমা দিতেন তিনি। কিছুদিন আগে অফিশিয়াল অডিটে তাঁর বিরুদ্ধে ‘কোটি টাকার ঘাপলা’ প্রকাশ পায়। এরপর গা ঢাকা দেন ইয়াছিন। অভিযোগ রয়েছে, ব্যাংকের ভুয়া চালান তৈরি করে তিনি ওই টাকা আত্মসাৎ করেন।

অনলাইন ডেস্ক