বাবুর্চির কাজের আড়ালে ধর্ষণ করতেন যুবক
রাজধানীর রামপুরায় দুই তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার মুশফিক আলম (৩৮) নামের এক আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ শনিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মিল্লাত হোসেন এ আদেশ দেন।
আদালতের সরকারি কৌঁসুলি হেমায়েত উদ্দিন হিরণ সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আজ ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গত শুক্রবার রাতে ওই দুই তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে মুশফিককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
নথি থেকে জানা যায়, ধর্ষণের শিকার দুই তরুণী রামপুরার একটি বাসা ভাড়া নিয়ে মেসের মতো করে থাকতেন। মুশফিক আলম সেখানে রান্নাবান্না করতেন। ওই দুই তরুণীও তাঁর কাছেই খাওয়া-দাওয়া করতেন। গত বৃহস্পতিবার এক তরুণী কাজের ফাঁকে দুপুরবেলায় বাসায় খেতে গেলে তাঁকে ধর্ষণ করেন মুশফিক।
এজাহারে আরো বলা হয়, গত ১ জানুয়ারি একইভাবে অপর এক তরুণীও ওই বাবুর্চির ধর্ষণের শিকার হন। এ ছাড়া ওই তরুণী এর আগেও একাধিকবার ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের শিকার হন বলে মামলার এজাহারে বলা আছে।
গত শুক্রবার রাতে ওই দুই তরুণী একত্রিত হয়ে রামপুরা থানায় মুশফিকের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করেন।
ভুক্তভোগী দুই তরুণী শুক্রবার রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) চিকিৎসাধীন।

আদালত প্রতিবেদক