ভোট আগানো-পেছানোর সুযোগ নেই : ইসি
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আলমগীর বলেছেন, ‘শিক্ষার্থীরা যারা আন্দোলন করেছে তারা বয়সে অল্প, নবীন। তারা হয়তো কেউ বুঝে, কেউ না বুঝে করছে। আমার ধারণা একটু পরেই তারা বুঝে যাবে যে এটা ঠিক হচ্ছে না।’
আজ বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ের ইসি ভবনে ভোট পেছানো নিয়ে শাহবাগে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব এসব কথা বলেন।
সরস্বতী পূজার মধ্যে ভোট নিয়ে যে অস্থিরতা তৈরি হলো, এতে নির্বাচনে কোনো প্রভাব পড়বে কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে মো. আলমগীর বলেন, ‘নির্বাচনের জন্য উপযুক্ত হচ্ছে ৩০ তারিখ। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে প্রভাব পড়ার কথাও না। কারণ কয়েক দিনের মধ্যে তারা বুঝে যাবে যে, আন্দোলন করা এটা ঠিক হচ্ছে না। এটা হয়তো বা তারা না বুঝে করছে। এটা বুঝতে হবে সরস্বতী পূজা ২৯ তারিখে। নির্বাচন হচ্ছে ৩০ তারিখে। ১ তারিখ থেকে এসএসসি পরীক্ষা। এ জন্য নির্বাচন পেছানোর কোনো সুযোগ নাই। আগানোরও সুযোগ নাই।’
মো. আলমগীর বলেন, ‘আগেই তো বলা হয়েছে যে, এটা পরিবর্তন হয় নাই। কারণ আমাদের নির্বাচন কমিশন তো বলেছে যে, সরকারি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ২৯ জানুয়ারি হলো পূজা। ৩০ তারিখে পূজা নাই। আর ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এসএসসি পরীক্ষা। তো আমাদের একদিনই সময় আছে, ৩০ তারিখ নির্বাচন করা যায়।’
জ্যেষ্ঠ সচিব বলেন, ‘আপনারা জানেন, বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ হাইকোর্টে রিট করেছিল। সেই রিটটি খারিজ হয়ে গেছে। কারণ তারা তাদের যে যুক্তি, তা প্রতিষ্ঠা করতে পারে নাই। আদালত নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত তারিখকে যুক্তিযুক্ত মনে করেছেন এবং রিটটি খারিজ করে দিয়েছেন। রিট খারিজের পর তাঁরা জানিয়েছিলেন যে, আপিল করবেন। কিন্তু আমরা খোঁজ নিয়েছি এখন পর্যন্ত কোনো আপিল দায়ের হয়নি। যেহেতু আপিল দায়ের হয়নি, অ্যাপিলেড ডিভিশন থেকে কোনো নির্দেশনা আসেনি। অতএব নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত ৩০ তারিখই ঠিক আছে।’
এর আগে আজ বিকেলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদার কার্যালয়ে চার নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের এক আন-অফিশিয়াল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক