মাংস আমদানি নিয়ে রুল
দেশে পর্যাপ্ত গবাদিপশুর মাংস থাকা সত্ত্বেও বিদেশ থেকে আমদানি করা কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট।
একই সঙ্গে গবাদিপশুর মাংসের মান ও বিশুদ্ধতা নিশ্চিত করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা–ও জানতে চাওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এ সংক্রান্ত এক রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে আজ বুধবার হাইকোর্টের বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রুল দেন।
আদালতে আজ রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মো. কামরুজ্জামান ও নাজমুল হুদা। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এম সাইফুল আলম।
এর আগে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মোছাব্বির হোসেন গত সপ্তাহে ওই রিট করেন।
রুলের বিষয়ে জানিয়ে আইনজীবী কামরুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুসারে, দেশে গবাদিপশুর মাংসের চাহিদা ৭২ দশমিক ৯৪ লাখ মেট্রিক টন। দেশে উৎপাদন হয় ৭৫ দশমিক ১৪ লাখ মেট্রিক টন। এ অবস্থায় সরকার বিদেশ থেকে গবাদিপশুর মাংস আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে গণমাধ্যমে খবর বের হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে রিটটি করা হয়েছে।
এর আগে মো. মোছাব্বির হোসেন নামের এক ব্যক্তি গত সপ্তাহে ওই রিট করেন। ওই রিটের শুনানি নিয়ে রুল জারি করেন আদালত। দেশে পর্যাপ্ত/অতিরিক্ত উৎপাদন থাকা সত্ত্বেও গবাদিপশুর মাংস আমদানির সিদ্ধান্ত কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।
আইনজীবী জানান, দেশে পর্যাপ্ত/অতিরিক্ত উৎপাদন থাকা সত্বেও বিদেশ থেকে গবাদিপশুর মাংস আনার সিদ্ধান্ত কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত হবে না এবং গবাদিপশুর মাংসের মান ও উৎপাদনে বিশুদ্ধতা, নিরাপদ গবাদিপশু খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।

নিজস্ব প্রতিবেদক