‘মেগা প্রজেক্টের অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে কাজ করতে পারে দুদক’
মেগা প্রজেক্ট সঠিক সময়ে শেষ না হয়ে বাজেট বাড়তে থাকার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলে জানালেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। তিনি বলেছেন, ‘সুপ্রিম অডিট ইনস্টিটিউটকে সঙ্গে নিয়ে মেগা প্রজেক্টের এসব অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে কাজ করতে পারে দুদক।’
আজ রোববার বিশ্বব্যাংক আয়োজিত জবাবদিহিতা শীর্ষক আলোচনাসভায় এসব কথা বলেন দুদক চেয়ারম্যান।
মেগা প্রজেক্টগুলো সময়মতো বাস্তবায়ন না হওয়ায় তার খরচ বাড়তে থাকে আর সাধারণ মানুষের মধ্যে মেগা প্রজেক্টের স্বচ্ছতার ব্যাপারে এক ধরনের সংশয় তৈরি হতে থাকে। এমন প্রেক্ষাপটে দুদক চেয়ারম্যান বললেন, ‘এসব মেগা প্রজেক্টের অব্যবস্থাপনার বিষয়ে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।’
ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘আমরা দেখি মেগা প্রজেক্ট সময়মত বাস্তবায়ন হয় না। প্রজেক্টের সময় বাড়তে থাকে, বাড়তে থাকে বাজেট। সময়মতো শেষ না হওয়ায় সংশোধিত হয় মেগা প্রজেক্ট। এতে এক ধরনের প্রশ্ন তৈরি হয়। কাজেই আমি মনে করি এ ব্যাপারে দুদককে কিছু করতে হবে। সুপ্রিম অডিট ইনস্টিটিউটকে সঙ্গে নিয়ে মেগা প্রজেক্টের এসব অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে কাজ করতে পারে দুদক।’
সরকারি অফিসগুলোতে দুর্নীতি নিয়ে কোনো অভিযোগ থাকলে তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানোর প্রয়োজন নেই বলেও জানালেন দুদক চেয়ারম্যান।
ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘সত্যিকার অর্থে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক তথ্যের প্রয়োজন নেই দুদকের। আমাদের শুধু দরকার কিছু তথ্যের। সুপ্রিম অডিট ইনস্টিটিউট আমাদের জানাতে পারে কোথায় কী অনিয়ম হচ্ছে। এটা তারা অনানুষ্ঠানিকভাবেও জানাতে পারে। এতে স্বাক্ষরেরও প্রয়োজন নেই। কেবল অর্থ আত্মসাতের তথ্যটি দুদককে জানাবে।’
সরকারের কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে দুদক কিংবা অডিট অফিস কাজ করতে গেলে যেসব আইনি প্রতিবন্ধকতা দেখা দেয়, তা দূর করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানালেন স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী। বিশ্বব্যাংক আয়োজিত জবাবদিহিতা শীর্ষক গোল টেবিল বৈঠকে দক্ষিণ এশিয়াসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা যোগ দেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক