নকল চিকিৎসককে আসল শাস্তি
আখতার হোসেন দাঁতের চিকিৎসা করেন। রাজধানীর কারওয়ান বাজারে আল মদিনা ডেন্টাল কেয়ারের স্বত্বাধিকারী তিনি। ভুয়া সনদ নিয়ে চিকিৎসা করার দায়ে গত বছর ৪ সেপ্টেম্বর ভ্রাম্যমাণ আদালত আখতারকে এক বছরের কারাদণ্ড দেন। সেই সাজা খেটে বেরিয়ে আবার চিকিৎসক হিসেবে কাজ শুরু করেন তিনি।
আবার র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত হাজির হয়েছে আল মদিনা ডেন্টাল কেয়ারে। গত বৃহস্পতিবার রাতে অভিযানের সময় আখতার বৈধ সনদ দেখাতে আবারও ব্যর্থ হয়েছেন। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতকে তিনি জানান, গত বছর একই অভিযোগে এক বছর সাজা খেটেছেন তিনি।
এবার ভ্রাম্যমাণ আদালত আখতারকে দুই বছরের কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন। জরিমানা অনাদায়ে আরো তিন মাসের সাজা ভোগ করতে হবে এ ভুয়া চিকিৎসককে।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানিয়েছে, র্যাব ২-এর উপপরিচালক মেজর সৈয়দ সালাহউদ্দিন মাহমুদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আনিসুর রহমান এ অভিযানের নেতৃত্ব দেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত কারওয়ান বাজার ও তেজতুরী বাজারে একাধিক ডেন্টাল ক্লিনিকে অভিযান চালান।
এ ছাড়া কারওয়ান বাজারে ঢাকা ডেন্টাল কেয়ারে ভুয়া সনদের অভিযোগে জি এম ওয়াহিদকে এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
একই অভিযোগে পূর্ব তেজতুরী বাজার এলাকায় শামীম ড্রাগস থেকে আবদুল আউয়ালকে আটক করেছে র্যাব। আউয়াল স্বীকার করেন, তাঁর কাছে কোনো বৈধ কাগজপত্র নেই। দুই থেকে তিন বছর আগে তিনি দাঁতের চিকিৎসকের অধীনে কাজ করতেন। আউয়ালকে এক বছরের কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো তিন মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

অনলাইন ডেস্ক