ক্রোক না হওয়ার কারণ জানতে চেয়ে আদালতের শোকজ
হলমার্ক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর মাহমুদ ও চেয়ারম্যান জেসমিন ইসলামসহ ২২ বিবাদীর স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করতে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ জারি করেছেন আদালত।
আজ রোববার ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন সোনালী ব্যাংকের এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর জন্য নোটিশ জারি করেছেন।
মামলার বিবাদীরা হলেন আনোয়ারা স্পিনিং মিলস, আনোয়ারা স্পিনিং মিলসের স্বত্বাধিকারী জাহাঙ্গীর আলম, হলমার্ক ফ্যাশন লিমিটেড, হলমার্ক ডিজাইন ওয়্যার লিমিটেড, হলমার্ক ফ্যাশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. তানভীর মাহমুদ, হলমার্ক ফ্যাশন লিমিটেডের চেয়ারম্যান জেসমিন ইসলাম, সেঞ্চুরি ইন্টারন্যাশনাল, সেঞ্চুরী ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী জিয়াউর রহমান, বেগম শাহনাজ রহমান, সোনালী ব্যাংক হোটেল শেরাটন শাখার সাবেক সহকারী মহাব্যবস্থাপক সাইফুল হাসান, সাবেক অফিসার আবদুল মতিন, সাবেক সিনিয়র অফিসার মেহেরুন্নেসা মেরী, সোনালী ব্যাংকের সাবেক ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও হুমায়ুন কবির, তাছলিমা বেগম, সোনালী ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মাইনুল হক, সোনালী ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের সাবেক মহাব্যবস্থাপক ননী গোপাল নাথ, সোনালী ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের সাবেক মহাব্যবস্থাপক শফিজ উদ্দিন আহমেদ, সোনালী ব্যাংকের সাবেক সাবেক সহকারী মহাব্যবস্থাপক কামরুল হোসেন খান, সোনালী ব্যাংকের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর মহিদুর রহমান, সোনালী ব্যাংকের সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক শেখ আলতাফ হোসেন, মেসার্স পেপার হাউস এবং এম কমার্শিয়ালের স্বত্বাধিকারী তুষার আহমেদ ও সাভারের ১০নং তেতুঁল জোড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন সরকার।
২০১৪ সালের ২৫ আগস্ট বিবাদীদের বিরুদ্ধে সোনালী ব্যাংক ৬৮২ কোটি ২৯ লাখ ৬৪ হাজার ২২৫ টাকা ক্ষতিপূরণ বাবদ মামলা করে।
আদালতে সোনালী ব্যাংকের পক্ষে আবেদনটি করেন সোনালী ব্যাংক হোটেল শেরাটন শাখার সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার আব্দুস সালাম।
আবেদনে বিবাদীদের প্রায় আট হাজার ২০০ শতক জমির ক্রোকের আবেদন করা হয়েছে। জমি, ভবন ও মেশিনারিসহ যার আনুমানিক মূল্য প্রায় আট হাজার কোটি টাকা।

নিজস্ব সংবাদদাতা