‘ন্যূনতম মজুরি’র প্রতিশ্রুতি জোনায়েদ সাকির
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জয়ী হলে নগরের কোনো প্রতিষ্ঠানের কর্মীর জন্য ‘ন্যূনতম মজুরি’ ঘোষণা দিতে চান মো. জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি। পাশাপাশি ঢাকাবাসীকে বিভিন্ন নাগরিক সেবাদানকারী সরকারি সংস্থায় কর্মরত মানুষের জন্যও দৈনন্দিন ব্যয় নির্বাহের মতো উপযুক্ত বাড়তি ‘প্রণোদনা ভাতা’ নগর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে দেওয়ার প্রতিশ্রুতির কথা জানিয়েছেন তিনি। সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জোনায়েদ সাকির ইশতেহারের ১০ নম্বর অনুচ্ছেদে এসব কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
আজ শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি মিলনায়তনে নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করেন জোনায়েদ সাকি। ইশতেহারের ওই অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘যে কোনো মহানগরীতে বসবাসরত মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় সারা দেশ থেকে তুলনামূলকভাবে বেশি হয়। এ কারণে ঢাকা নগরের আওতাধীন কর্মরত সকল নাগরিকের জন্য আমরা সম্মানজনক জীবনধারণের উপযোগী একটা ন্যূনতম মজুরি ঘোষণা করতে চাই। এখানে প্রতিষ্ঠিত প্রতিটি প্রতিষ্ঠান সেই মজুরি মেনে নিতে বাধ্য থাকবে। শুধু তাই না, ঢাকাবাসীকে নানা রকম নাগরিক সেবা প্রদানকারী সরকারি সংস্থায় কর্মরতদের জন্যও দৈনন্দিন ব্যয় নির্বাহের মতো উপযুক্ত বাড়তি প্রণোদনা ভাতা নগর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে প্রদান করার জন্য আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
‘পরিবর্তন সম্ভব, পরিবর্তন চাই’ এই স্লোগান নিয়ে ‘আগামী ঢাকা- সকলে মিলে’ গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জোনায়েদ সাকি।
সাকি নির্বাচনের ইশতেহারে বলেছেন, ‘আমাদের প্রথম ও প্রধান প্রস্তাব ঢাকা নগরের আওতার মাঝে সব সেবাপ্রদানকারী সংস্থাকে সমন্বিত করে একটি স্বশাসিত নগর সরকার প্রতিষ্ঠা করা।’
দুর্নীতিমুক্ত ও জনগণের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে নগর প্রশাসন পরিচালনা মূলনীতি হিসেবে উল্লেখ করেছেন সাকি। তিনি নগরের নাগরিকের অধিকার, প্রকৃতি ও পরিবেশ, নগরবাসীর পরিবহন, খাদ্যে ভেজাল ও বিষক্রিয়া রোধ, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, পরিষেবার ওপর নিয়ন্ত্রণ, নগরের জন্য বিশেষ ন্যূনতম মজুরি, বস্তিবাসীদের জন্য বিশেষ কর্মসূচি, সংস্কৃতিচর্চা ও বিনোদন, স্বেচ্ছাসেবী, জবাবদিহিতা ও নাগরিক তদারকি, নগরবাসীর মতামত সংগ্রহ ও বিশেষজ্ঞ পর্ষদ গঠন, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি রোধ এবং নগর কর্তৃপক্ষের আয় বৃদ্ধি ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির উপযোগী নগর-কাঠামো গড়ে তোলার বিষয়ে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি তুলে ধরেছেন।
ইশতেহারে বলা হয়েছে, ‘তরুণদের কর্মোদ্দীপনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রযুক্তির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা আধুনিক নগর নির্মাণের অন্যতম শর্ত। ঢাকা নগরীকে অবিলম্বে ওয়াইফাই প্রযুক্তির আওতায় এনে সকলের জন্য ন্যূনতম ইন্টারনেটসেবা নিশ্চিত করতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।’
নগরে প্রতিটি ওয়ার্ডে নারীদের জন্য পর্যাপ্ত টয়লেটের ব্যবস্থা করার অঙ্গীকার করেছেন সাকি।

অনলাইন ডেস্ক