চুয়েটে বিনম্র শ্রদ্ধায় জাতীয় শোক দিবস পালিত
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিনম্র শ্রদ্ধায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪১তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন করেছে।
আজ সোমবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচির সূচনা করেন চুয়েটের উপাচার্য ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম। দিনের অন্য কর্মসূচির মধ্যে ছিল শোকের প্রতীক কালো ব্যাজ ধারণ, বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মের ওপর আলোচনা সভা , বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া মাহফিল ও মোনাজাত, তোবারক বিতরণ।
এ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য মোহাম্মদ রফিকুল আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরকৌশল অনুষদের ডিন মো. হযরত আলী, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন আশুতোষ সাহা, যন্ত্রকৌশল অনুষদের ডিন মো. মাহবুবুল আলম, তড়িৎ ও কম্পিউটার কৌশল অনুষদের ডিন মাহমুদ আবদুল মতিন ভূঁইয়া, স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মোস্তফা কামাল, ছাত্রকল্যাণ পরিচালক ও চুয়েটে জাতীয় শোক দিবস পালন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মশিউল হক।
রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. ফারুক-উজ-জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন উপছাত্রকল্যাণ পরিচালক ও জাতীয় শোক দিবস পালন কমিটির সদস্য সচিব ড. জি এম সাদিকুল ইসলাম। আলোচনায় অংশ নেন চুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. সজল চন্দ্র বণিক, শহীদ তারেক হুদা হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক মো. আবদুর রশীদ, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী চৌধুরী, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক মো. আবদুর রহমান ভূঁইয়া, কর্মকর্তা সমিতির সাধারণ সম্পাদক আমীন মো. মুসা, কর্মচারী সমিতির সভাপতি মো. জামাল উদ্দীন, সাংগঠনিক সম্পাদক বিশ্বজিত ভট্টাচার্য, সদস্য আবদুল আল হান্নান, ছাত্রছাত্রীদের পক্ষে সৈয়দ ইমাম বাকের, মুনতাসির সারোয়ার, প্রীতি রায় প্রমুখ।
সঞ্চালনায় ছিলেন সহকারী রেজিস্ট্রার (সমন্বয়) মোহাম্মদ ফজলুর রহমান। বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন চুয়েট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ কারি মোহাম্মদ নুরুল্লাহ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক মো. রফিকুল আলম শোকাহত এ দিনে বঙ্গবন্ধুর প্রতি অগাধ শ্রদ্ধা প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর অসাধারণ নেতৃত্বে। তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, দিকনির্দেশনা ও দর্শন দিয়েছেন। এখন সে দর্শন অনুসরণ করে আমাদের দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। দেশকে ও দেশের মানুষকে ভালোবাসতে হবে। দেশের মঙ্গলের জন্য কাজ করে যেতে হবে। দেশের উন্নয়নে ভূমিকা পালন করতে হবে। আমরা অত্যন্ত আনন্দিত এই যে প্রধানমন্ত্রী ও জাতির জনকের সুযোগ্য কন্যার নেতৃত্ব এখন বঙ্গবন্ধুর ভিশন ও দর্শন অনুসরণে দেশকে সোনার বাংলা হিসেবে গড়ার লক্ষে নিরন্তর প্রচেষ্টা চলছে। ইতিমধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপকল্পে আমরা অনেক সফলকাম হয়েছি। নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করে এখন দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করতে হবে।’
চুয়েটের সহকারী রেজিস্ট্রার ফজলুর রহমানের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

অনলাইন ডেস্ক