যারা অমানুষ, তারা ২০ দলে যেতে পারে: প্রধানমন্ত্রী
যাদের ভেতর মনুষ্যত্ববোধ আছে, তারা বিএনপি জামায়াত জোট বা ২০ দলের সমর্থক কাউকে ভোট দিতে পারেন না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ রোববার গণভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচন প্রসঙ্গে এ কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যেভাবে খালেদা জিয়া, তাঁর ক্যাডাররা মানুষ পুড়িয়েছে এরপর কে তাঁকে ভোট দেবে? যার ভেতরে এতটুকু মনুষ্যত্ববোধ আছে, যাদের বিবেক আছে, তারা কি এই বিএনপিকে আর ভোট দেবে? বিএনপি করবে? বিএনপির পাশে দাঁড়াবে? বা ওই জামায়াতের পাশে থাকবে?’
urgentPhoto
শেখ হাসিনা বলেন, ‘যে মানুষের ভেতরে এতটুকু মনুষত্ব আছে, তারা জামায়াত, বিএনপি বা ২০ দলীয় জোট, তাদের সমর্থিত, বা তাদের ভোট দেওয়া বা তাদের পাশে দাঁড়ানো বা তাদের দল করা; যারা অমানুষ, যাদের কোনো মনুষ্যত্ববোধ নাই তারা যেতে পারে। যার মনুষ্যত্ববোধ আছে, তারা যাবে না।’
প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ায় আফ্রো-এশিয়া সম্মেলনে যোগ দেন। এ সম্মেলনের ব্যাপারে জানাতেই আজকের সংবাদ সম্মেলন ডাকেন প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা জানান, সম্মেলনে অংশ নেওয়া ছাড়াও তিনি বিভিন্ন দেশের প্রধানদের সাথে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন তিনি। এর বাইরেও সম্মেলন চলাকালে অনেকের সাথে আলাপ-আলোচনা ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। সম্মেলনে নিজের দেওয়া বক্তব্য নিয়ে কথা বলেন তিনি। দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরো দৃঢ় হয়েছে বলে মত ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।
ভূমিকম্প : ‘কিছু করার নেই’
সংবাদ সম্মেলনে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকার কতটুকু প্রস্তুত তা জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী ফায়ার সার্ভিসের উন্নয়নে তাঁর সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা জানান। এ ছাড়া ১৮ হাজার স্বেচ্ছাসেবককে প্রশিক্ষণের কথা জানান তিনি।
ভূমিকম্পের দুর্যোগ মোকাবিলায় কয়েক শ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি বর্তমান সরকারের আমলে কেনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের পক্ষ থেকে যা যা করার তা করেছি। অতীতের কোনো সরকার এটা করতে পারেনি। ভূমিকম্প কখন আসবে তা জানা যায় না। তাই এখানে আমার কিছু করার নেই।’
এর আগে সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভয়াবহ দুযোর্গে আমরা নেপালের জনগণের পাশে থাকব। বাংলাদেশেও কিছূটা ভূমিকম্প অনূভূত হয়েছে। আল্লাহর কাছে এটাই চাই যেন জানমালের ক্ষতি না হয়।’
‘খালেদা জিয়ার বক্তব্য মিথ্যার ফুলঝুরি’
সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিক মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশের বাইরে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করলেও দেশের ভেতরে রাজনীতির নামে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চলছে। তিনি এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর অবস্থান জানতে চান।
জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একটা কথা বলতে চাই, উনি যে কথা বলেছেন। তার বক্তব্য আমি কিছুটা শুনেছি। বোঝা যায়, মিথ্যা কথা তিনি চমৎকারভাবে সাজিয়েছেন। মিথ্যার ফুলঝুড়ি সাজিয়েছেন। আমরা যখন বাংলাদেশকে উন্নত করছি, বিশ্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল, বিশ্বের কাছে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে গেছি।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘এই বাংলাদেশের অবস্থা ২০০১ সালে বিএনপির ক্ষমতায় থাকার সময় কী ছিল? ২০০১ সারে নির্বাচনের সময় যেভাবে মানুষের ওপর অত্যাচার করেছে, রেপ করেছে, মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা গির্জা কিছুই বাদ যায়নি আক্রমণ থেকে। সারাদেশে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল। বিশ্বের কাছে বাংলাদেশই ছিল সন্ত্রাসের দেশ। কেউ আসতে ভয় পেত।’
‘তারা কি বসে থাকবে’
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গণমাধ্যমের স্বাধীনতা শেখ হাসিনাই দিয়েছেন, আওয়ামী লীগ সরকারই দিয়েছে, এটা ভুলবেন না।’
এ সময় একটি ছবি দেখিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যে এত দিন ধরে মানুষ পোড়াল, তার ছবি কেন সব গণমাধ্যম আসেনি? হরতালের কারণে তাদের ব্যবসা মন্দা গেছে, আপনজন পুড়ে গেছে। তারা যদি কালো পতাকা নিয়ে দাঁড়ায়, তাহলে কিছু করার নেই। তাদের যখন সিএসএফ কলার ধরে মারবে তারা কি বসে থাকবে? এত কথা বলেন, এত টক শো করেন। এসব ছবি দেখাতে পারেননি, কেন বলতে পারেন?’
সিটি নির্বাচন আচরণবিধি মালার একটি ধারা বর্ণনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের শোডাউন, জনগণের চলাচলে বাধা দেওয়া যাবে না, তারপরও তিনি যখন আচরণবিধি ভঙ্গ করেছেন তখন কি আপনারা সেটা দিয়ে নিউজ করেছেন? কেউ কোনো কথা বলেন নাই। পাবলিক এসে খালেদা জিয়ার গাড়ি ভাঙলে সেটার জন্য সহানূভতি দেখাতে মরে যান, অথচ সাধারণ মানুষের গাড়ি যে পোড়ালে সেসব কথা কয়জন লিখেছেন? যারা খালেদা জিয়ার বহরের কারণে পা ভেঙে হাসপাতালে তাদের দেখতে কেউ গেছেন?’
সংবাদ সম্মেলনে ভারতীয় জনতা পার্টির নেতা অমিত শাহর টেলিফোনের প্রসঙ্গ টেনে শেখ হাসিনা বলেন, ‘মনে আছে? বিজেপি নেতা অমিত শাহর টেলিফোন নিয়ে উনি জালিয়াতি করলেন। দেশের ভেতরে তো জালিয়াতি করেই যাচ্ছেন। আমেরিকার ছয়জন কংগ্রেসম্যানের সই নকল করে সেখানেও বাংলাদেশের ভাবমুর্তি নষ্ট করলেন। এমনকি তারা এফবিআইকেও পর্যন্ত ঘুষ দিল।’
‘ভোট দিলে জিতব, না দিলে হারব’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ইলেকশনে তো হারজিত আছেই। ভোট দিলে জিতব না দিলে হারব। এটার জন্য আমাদের কিছু আসে যায় না। আমরা তো এখানে নিজেরা দলীয়ভাবে প্রার্থী দিতে পারছি না। লোকাল গভার্নমেন্ট আইনে নাই। হয়তো আমার দলের পক্ষ থেকে সমর্থন দেওয়া হচ্ছে। কাজেই এটার সাথে তো আর আমার ন্যাশনাল ইলেকশনটাকে তুলনা করলে চলবে না।’
‘যারা রানা প্লাজার অর্থের হিসাব নিচ্ছে তারা কেউ পাই পয়সা খরচ করেছে?’
রানা প্লাজার জন্য আসা সাহায্য বিতরণ না হওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘রানা প্লাজা নিয়ে ১২৭ কোটি টাকার হিসাব নিচ্ছে তারা কি একটা পাই পয়সা খরচ করেছে? কেউ করে নাই। তাহলে ১২৭ কোটি টাকা নিয়ে এত কান্নাকাটি কেন? উনাদের মধ্যে কেউ যদি কালকে অসুস্থ হয় তাহলে প্রধানমন্ত্রীর কাছে দরখাস্ত করলে আবার প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকেই সাহায্য দিতে হবে। এই টাকা আসবে কোত্থেকে?’
শেখ হাসিনা যোগ করেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল আছে। কোনো একটা দুর্যোহ হলে সবাই এসে সেখানে অনুদান দেয়। এই অনুদান কিছু ফিক্স ডিপোজিট করা আছে আর কিছু এমনি রাখা আছে। যখনই যেখানে কেউ চাচ্ছে আমরা দিচ্ছি।’
এ সময় তাজরীনের সব পরিবারকে সাহায্য দেওয়ার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী। ডিএনএ টেস্টের মেশিন কেনার কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘আরো অনেক দুর্ঘটনা ঘটেছ। তাদের কে সাহায্য দিয়েছে। প্রত্যেকটা পরিবারে খবর নিয়ে কার কোন ধরনের প্রয়োজন সবাইকে সেই মতো হিসাব করে টাকা দেওয়া হয়েছে।...থাইল্যান্ড থেকে ডাক্তার এনে রাখতেও তো এক দেড় কোটি টাকা খরচ হয়েছে। পাই পাই হিসাব করলে তো কোনো টাকাই দেওয়া যেত না। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে সবসময়ই সাহায্য যাচ্ছে।’
গত তিন মাসে পেট্রলবোমা হামলায় পুড়ে যাওয়া মানুষদের চিকিৎসা ও সহায়তার প্রসঙ্গ টেনে এনে শেখ হাসিনা বলেন, ‘কই এই পোড়া মানুষের জন্য কারো কোনো কান্নাকাটি দেখলাম না তো? এই কয়দিন টেলিভিশন ভেসে যাচ্ছে রানা প্লাজার কান্নায়। পত্রিকা ওই কান্নাই কেঁদে যাচ্ছে। আর এই যে খালেদা জিয়া তিনটা মাস ধরে মানুষ পুড়িয়ে মারল, কই কারো তো একটা টু শব্দ নেই এ ব্যাপারে। কেন? জ্যান্ত মানুষগুলোকে পুড়িয়ে পুড়িয়ে মেরেছে। কই কয়টা ফিচার লিখেছেন তার ওপরে? কয়জনের পরিবারের খবর নিয়েছেন? রানা প্লাজাকে তো প্রত্যেকটা পরিবারকে সেটেল করিয়ে দেওয়া হয়েছে। কার অ্যাকাউন্টে কত টাকা আছে সে হিসাব আমার কাছে আছে।’
প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অডিট হয় জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, সেই অডিটেই সব হিসাব-নিকাশ হবে।
‘বাংলাদেশের মানুষের জন্য রাজনীতি করি’
কারো জন্য অপেক্ষা করেন না জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের জন্য রাজনীতি করি। বাংলাদেশের মানুষের জন্য কাজ করি। মানুষের যেটা প্রয়োজন আমরা সেটাই করি। কাজেই আমরা সেখানে কিন্তু অপেক্ষা করি নাই। রানা প্লাজায় এই ঘটনার সাথে সাথে যখন আমরা সাহায্যের হাত বাড়াই কত টাকা আমার ত্রাণ তহবিলে আছে না আছে সেটা আমি দেখিনি। প্রত্যেকটা ফ্যামিলিকে আমরা টাকা দিয়েছি, সাহায্য করেছি। ওই স্কুলঘরেই তারা ছিল। প্রত্যেক বেলায় তাদের খাবারের ব্যবস্থা, কে করেছে?’
যে বাস পোড়ায় তাকে আবার বাসে ভোট দেয় কি করে?
১১৭ জন মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করার বিচার হবে কি না তা জানতে চেয়ে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করলে শেখ হাসিনা বলেন, ‘যেহেতু সে হুকুমের আসামি, হুকুমের আসামি হিসেবে অবশ্যই তার বিচার হতে হবে এবং বিচার হবে। উনি একদিকে বাস পুড়িয়েছেন, ড্রাইভার হেলপারকে পুড়িয়ে মেরেছেন। আবার বাসে ভোট চান। উনার তো লজ্জা -শরমও থাকা উচিত ছিল এ ব্যাপারে। নিশ্চয়ই বাংলাদেশের জনগণ এ ব্যাপারটা অত সহজে নেবে না। যে বাস পোড়ায় তাকে আবার বাসে ভোট দেয় কি করে? সেটা আমারও প্রশ্ন।’
সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন সময়ে বিএনপি সরকারের নানা কর্মকাণ্ডের বিবরণ তুলে ধরেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘এই ঢাকা শহরে পানির জন্য মানুষের হাহাকার ছিল, বিদ্যুৎ ছিল না, গ্যাসের অভাব, রাস্তাঘাট ময়লা, কি জঘন্য অবস্থা ছিল। আমরা শুধু উৎপাদনই না নতুন করে সঞ্চালন লাইন তৈরি করেছি, বিভিন্ন ফ্লাইওভার করেছি। সে তো তিনবার ক্ষমতায় ছিল। সে কি করেছে। আওয়ামী লীগ সরকার করেছে। স্কুল-কলেজ করেছি লেখাপড়ার জন্য। আর সে এসএসসি পরীক্ষা শুরুর দিনে হরতাল ডেকেছে।’
পেট্রলবোমা নিক্ষেপ বা তৈরির সময় সাধারণ মানুষের হাতে ধরা পড়ে ৭০ জনের মতো গণধোলাই খেয়েছে বলে জানান শেখ হাসিনা। বোমা বানাতে গিয়ে বিএনপি-জামায়াতের কর্মীরা আহত হয়েছে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করে দিয়ে উনি এখন বলছেন প্রতিশোধ নিতে হবে? কিসের প্রতিশোধ? প্রতিশোধ যদি জনগণ নেয় কার ওপর নেবে সেটা তার ভেবে দেখা উচিত।’
‘এত মুখ ঝামটা আর ঝাড়ি আগে কখনো খাইনি’
খালেদা জিয়া তার সংবাদ সম্মেলনে যে সমঝোতার চেষ্টার কথা বলেছেন সে প্রসঙ্গে জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষ খুন করবেন উনি, আর দায় দায়িত্ব সরকারের? সমঝোতা? আমি দেশবাসীকে একটা কথা বলতে চাই। আমি নির্বাচনের আগে তাকে ফোন করেছিলাম। এর ৬ ঘণ্টা পর আমাকে তারা ফোন করলেন। আমার জীবনে এত মুখ ঝামটা আর ঝাড়ি আগে কখনো খাইনি। ওনার ছেলে মারা গেছে, দেখতে যাব। আমি নামতে পারলাম না, তার গেটে তালা দেওয়া। কেউ যদি মৃত বাড়িতে সহানুভুতি জানাতে যায় কেউ কি দরজায় তালা দিয়ে রাখে।.....শুনলাম উনি ঘুমিয়ে আছেন। ওখানে এত বড় বড় নেতা ছিলেন। কেউ তো ভদ্রতা করে বসাতেও তো পারত। কই কেউ তো ভদ্রতাটুকুও দেখাননি। এরপর উনি সমঝোতা করবেন? উনার কথায় কে বিশ্বাস করবে? সে ধোকা দিয়ে মিথ্যে বলেই যাবেন। যারা সরাসরি জড়িত তারা তো ধরা পড়েছেই। যারা হুকুম দিয়েছে, অর্থ জোগান দিয়েছে সবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইন কাউকে ছেড়ে দেবে না। তাদের এমনভাবে শাস্তি দেওয়া হবে যেন আর কখনো এই রকম ঘটনা না ঘটে।’
‘উনি আসলে একটা মাল্টি স্ট্যান্ডার্ড’
ঢাকা সিটি করপোরেশন দুই ভাগ হওয়ার পর খালেদা জিয়া প্রতিবাদ করেছিলেন, অথচ তিনিই এখন সেই সিটি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন, এ বিষয়ে প্রশ্ন করেন এক সাংবাদিক। জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘উনার সব কিছুতেই তো ডাবল স্ট্যান্ডার্ড। কেবল সিটি করপোরেশন নির্বাচনটাই দেখলেন? উনি মায়ের পেট থেকে কতবার জন্ম নিয়েছেন? খুনিদের সমর্থন দিতে ১৫ আগস্ট জন্মদিন বদলেছেন।....উনি ন্যাশনাল ইলেকশন চান নির্দলীয় সরকারের অধীনে? আবার আমার অধিনেই সিটি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। উনি আসলে একটা মাল্টি স্ট্যান্ডার্ড।’

অনলাইন ডেস্ক