মির্জা ফখরুলের দেড় কোটি টাকার সম্পদ, বার্ষিক আয় ১১ লাখ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ (সদর) আসন থেকে অংশ নিতে যাওয়া বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের হলফনামা অনুযায়ী, তাঁর বার্ষিক আয় ১১ লাখ ৮৩ হাজার ১৩৩ টাকা। এছাড়া তাঁর স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে এক কোটি ৫২ লাখ ৭৮ হাজার ৮৮৩ টাকার সম্পদ রয়েছে। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামার তথ্য থেকে এসব বিষয় জানা গেছে।
গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর জমা দেওয়া হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, ৭৭ বছর ৪ মাস ১৮ দিন বয়সী মির্জা ফখরুল পেশায় একজন ব্যবসায়ী, কৃষিবিদ ও পরামর্শক। তাঁর আয়ের প্রধান উৎসগুলোর মধ্যে রয়েছে কৃষিখাত থেকে এক লাখ ৮০ হাজার টাকা, ব্যবসা (হুরমত আলি মার্কেটের শেয়ার) থেকে এক লাখ ৯৭ হাজার ২৩২ টাকা এবং ‘ইজাব গ্রুপ’-এর পরামর্শক হিসেবে সম্মানী ভাতা ছয় লাখ টাকা। এছাড়া ‘দি মির্জাস প্রাইভেট লিমিটেড’ থেকে তিনি এক লাখ ৯৮ হাজার টাকা সম্মানী পান।
সম্পদের বর্ণনায় দেখা যায়, মির্জা ফখরুলের ব্যাংকে জমা, নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার, শেয়ারে বিনিয়োগসহ মোট অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ এক কোটি ৩৩ লাখ ৭৩ হাজার ৬৯ টাকা। আর কৃষি ও অকৃষিজমি, বাড়ি মিলিয়ে স্থাবর সম্পত্তির (অর্জনকালীন) মূল্য ১৯ লাখ ৫ হাজার ৮১৪ টাকা।
স্থাবর সম্পদের ক্ষেত্রে মির্জা ফখরুলের নিজের নামে ৫ একর কৃষি জমি রয়েছে, যার অর্জনকালীন মূল্য দেখানো হয়েছে ৬০ হাজার টাকা। এছাড়া পৈতৃক সূত্রে ঠাকুরগাঁওয়ে একটি দোতলা বাড়ির অংশ রয়েছে তাঁর নামে, যার মূল্য ১০ লাখ টাকা।
হলফনামায় মির্জা ফখরুলের স্ত্রীর সম্পদের হিসাবও দেওয়া হয়েছে। তাঁর স্ত্রীর নামে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা প্রায় ১১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও স্থায়ী আমানত (এফডিআর) মিলিয়ে প্রায় ৭৯ লাখ ৪০ হাজার টাকা রয়েছে। এছাড়া তাঁর স্ত্রীর নামে ২৬ লাখ ৫২ হাজার টাকা মূল্যের একটি প্রাইভেট কার, ২০ ভরি স্বর্ণ এবং ঢাকার গুলশানে একটি ফ্ল্যাট ও পূর্বাচলে পাঁচ কাঠা জমি রয়েছে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এর আগে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০১৮ সালের নির্বাচনে তিনি বগুড়া-৬ আসন থেকে নির্বাচিত হলেও দলীয় সিদ্ধান্তে শপথ গ্রহণ করেননি।

এনটিভি অনলাইন ডেস্ক