নির্বাচনি অভিযোগ গ্রহণে ১০ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দিল ইসি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের নির্বাচন-সংক্রান্ত তথ্য ও অভিযোগ গ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশনের ১০ জন কর্মকর্তাকে নিয়োগ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
আজ মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ইসির জনসংযোগ কর্মকর্তা রুহুল আমিন মল্লিক এ তথ্য জানান।
রুহুল আমিন জানান, গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-সংক্রান্ত তথ্য ও অভিযোগ গ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশনের ১০ জন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
খুলনা অঞ্চলের দায়িত্বে রয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের উপ-পরিচালক সালাহউদ্দীন আহমদ। ফরিদপুর অঞ্চলের দায়িত্বে রয়েছেন নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের উপ-পরিচালক নুরুল হাসান ভূঞা। ময়মনসিংহ অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মুরাদ উদ্দিন হাওলাদার। বরিশাল অঞ্চলের দায়িত্বে রয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সহকারী সচিব মোহাম্মদ আল-মামুন। সিলেট অঞ্চলের দায়িত্বে রয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সহকারী পরিচালক মিসবাহ উদ্দীন আহমেদ।
ঢাকা অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সহকারী পরিচালক জাকির মাহমুদ। রংপুর অঞ্চলের দায়িত্বে রয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সহকারী সচিব সৈয়দ গোলাম রাশেদ। চট্টগ্রাম অঞ্চলের দায়িত্বে রয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সহকারী পরিচালক সরওয়ার হোসেন। রাজশাহী অঞ্চলের দায়িত্বে রয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সহকারী সচিব মমতাজ-আল-শিবলী। কুমিল্লা অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সহকারী পরিচালক ইকরামুল হাসান।
রুহুল আমিন মল্লিক জানান, নির্বাচন কমিশন গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর ৩০০টি সংসদীয় আসনের জন্য বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাগণের সমন্বয়ে নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি গঠন করেছে। এসব কমিটির কাছেও সংশ্লিষ্ট সংসদীয় আসনের নির্বাচন-সংক্রান্ত অভিযোগ দায়ের করা যাবে।
নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে এসব কর্মকর্তা সঙ্গে যোগাযোগ করা জন্য মোবাইল নাম্বার ও ইমেইল পাওয়া যাবে।
তফসিল অনুযায়ী, ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে আপিল আবেদন। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। আর ভোট গ্রহণ হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।

নিজস্ব প্রতিবেদক