খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
বীর মুক্তিযোদ্ধা, একুশে পদকপ্রাপ্ত ভাষাসৈনিক, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের অগ্রনায়ক এবং বিএনপির সাবেক মহাসচিব প্রয়াত খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ সোমবার (১৬ মার্চ)। ২০১১ সালের এই দিনে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
১৯৩৩ সালের ১ ফেব্রুয়ারি মানিকগঞ্জ জেলার ঘিওর উপজেলার খিরাই পাচুরিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন খন্দকার দেলোয়ার হোসেন।
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৫ সালে খন্দকার দেলোয়ার হোসেন একুশে পদক লাভ করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং পরবর্তী সময়ে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনেও নেতৃত্ব দেন তিনি। দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কঠিন সময়ে দলকে সংগঠিত ও শক্তিশালী করতে তার অবদান বিশেষভাবে স্মরণীয়।
মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার পাচুরিয়া গ্রামে নিজ বাড়ির মসজিদসংলগ্ন সমাধিস্থলে খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা।
শ্রদ্ধা নিবেদনকালে মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, মানিকগঞ্জের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিশিষ্ট এমপি ও মন্ত্রী হিসেবে বরেণ্য ব্যক্তিত্ব ছিলেন খন্দকার দেলোয়ার হোসেন। জাতীয় রাজনীতিতে তার অবদান অপরিসীম। বিশেষ করে বিএনপির সংকটময় সময়ে তার অগ্রণী ভূমিকায় দল চিরকৃতজ্ঞ।
মন্ত্রী গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন বিএনপির আরেক প্রয়াত নেতা হারুন অর রশিদ খান মুন্নু এবং সাবেক মন্ত্রী শামসুল ইসলাম খান নয়া মিয়াকে—যাঁরা দেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
মন্ত্রী বলেন, খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের আদর্শ, সততা ও সংগ্রামী জীবন নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। তাই তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন তিনি।

আহমেদ সাব্বির সোহেল, মানিকগঞ্জ