আমির খসরুর ১৪ কোটি টাকার সম্পদ, আছে সঞ্চয়পত্র-এফডিআর-ক্রিপ্টোতে বিনিয়োগ
চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনে বিএনপির প্রার্থী ও সাবেক মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বার্ষিক আয় আয় এক কোটি ৫৯ লাখ ৬৩ হাজার ৪২৪ টাকা। এছাড়া স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের মোট আর্থিক মূল্য ১৪ কোটি ৮০ লাখ ২০ হাজার টাকা। তার ও তার স্ত্রীর বিনিয়োগের তালিকায় রয়েছে সঞ্চয়পত্র, এফডিআর এবং ক্রিপ্টোকারেন্সিও। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া তার সর্বশেষ হলফনামা থেকে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
হলফনামা অনুযায়ী, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নিজ নামে থাকা অস্থাবর সম্পদের মূল্য ১২ কোটি ১০ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং স্থাবর সম্পদের বর্তমান আনুমানিক মূল্য দুই কোটি ৭০ লাখ টাকা। তার স্ত্রীর নামে রয়েছে চার কোটি দুই লাখ ৫০ হাজার টাকার অস্থাবর সম্পদ ও দুই কোটি ৯০ লাখ টাকার স্থাবর সম্পদ। বর্তমানে এই বিএনপি নেতা পুরোপুরি ঋণমুক্ত এবং তার বিরুদ্ধে হওয়া ৩৪টি মামলার মধ্যে ৩৩টি থেকেই তিনি খালাস বা অব্যাহতি পেয়েছেন।
বার্ষিক আয়
আমির খসরুর আয়ের বড় একটি অংশ আসে শেয়ার বাজার ও ব্যবসা থেকে। আলফা সিকিউরিটিজ লিমিটেডের শেয়ার বোনাস থেকে তিনি ৩৬ লাখ ৮৪ হাজার টাকা এবং অন্যান্য শেয়ার ও ব্যাংক আমানত থেকে ৩৬ লাখ ২৯ হাজার ৮২৪ টাকা আয় করেছেন। এ ছাড়া কনকর্ডের সঙ্গে সাইনিং মানি হিসেবে তার এককালীন আয় হয়েছে ৮০ লাখ টাকা। বাড়ি ও বাণিজ্যিক স্থাপনার ভাড়া থেকে তিনি বছরে ছয় লাখ চার হাজার টাকা আয় করেন। কৃষিখাত থেকে তার আয় বছরে ৪৫ হাজার টাকা।
অস্থাবর সম্পদ
অস্থাবর সম্পদের মধ্যে আমির খসরুর কাছে নগদ এক কোটি ৮৭ লাখ ৮৫ হাজার ৫৫০ টাকা রয়েছে। এছাড়া আমির খসরুর নামে সঞ্চয়পত্র, স্থায়ী আমানত (ফিক্সড ডিপোজিট), ডাক সঞ্চয়পত্র এবং ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বিনিয়োগ দেখানো হয়েছে এক কোটি ৯৮ লাখ ৫১ হাজার ৭৫৬ টাকা এবং স্ত্রীর নামে ৪৬ লাখ ৫৭ হাজার ৯৬৮ টাকা রয়েছে। এ ছাড়া নিজের নামে এক কোটি ৪৮ লাখ টাকার এবং স্ত্রীর নামে ৯৮ লাখ টাকার শেয়ার রয়েছে।
স্থাবর সম্পদ
শিক্ষাগত যোগ্যতায় বিএ পাস এই প্রার্থী হলফনামায় উল্লেখ করেছেন– তার নামে এক কোটি এক লাখ টাকা মূল্যের চারটি আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবন রয়েছে। এছাড়া ২৩ লাখ টাকার অকৃষি জমি এবং চার লাখ ১৪ হাজার টাকার অন্যান্য সম্পদ রয়েছে। তার স্ত্রীর নামে রয়েছে এক কোটি ৩৬ লাখ টাকা মূল্যের দুটি অ্যাপার্টমেন্ট।

এনটিভি অনলাইন ডেস্ক