ফাঁকা রেজাল্ট শিটে পোলিং এজেন্টের স্বাক্ষর, প্রিসাইডিং কর্মকর্তা প্রত্যাহার
ঝিনাইদহ-৪ আসনের (কালীগঞ্জ ও সদরের আংশিক) সলিমুন্নেছা বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে পোলিং এজেন্টদের স্বাক্ষর সংবলিত ফাঁকা রেজাল্ট শিট উদ্ধারের ঘটনায় প্রিসাইডিং কর্মকর্তা জেসমিন আরাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ওই কেন্দ্রে নতুন প্রিজাইডিং কর্মকর্তা হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে কলেজ শিক্ষক শামসুজ্জামানকে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টার দিকে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাসউদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। প্রত্যাহার হওয়া প্রিসাইডিং কর্মকর্তা জেসমিন আরা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত ৮টার দিকে কালীগঞ্জ পৌরসভার ৫নং সলিমুন্নেছা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে বিএনপি ও জামায়াতের পোলিং এজেন্টদের কাছ থেকে ২৩টি ফাঁকা রেজাল্ট শিটে স্বাক্ষর গ্রহণ করেন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা জেসমিন আরা। এ ঘটনার খবর দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। ওই কেন্দ্রে ছুটে যান জেলা পরিষদের প্রধান ও নির্বাহী উপসচিব রেলিম রেজা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। তারা সেখানে পোলিং এজেন্টদের স্বাক্ষর করা ২৩টি ফাঁকা রেজাল্ট শিট জব্দ করেন।
ঝিনাইদহ-৪ আসনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে কর্তব্যরত জেলা পরিষদের প্রধান ও নির্বাহী উপসচিব সেলিম রেজা বলেন, ভোটকেন্দ্রে এসে ২৩টি ফাঁকা রেজাল্ট শিট জব্দ করা হয় এবং সেগুলো ছিঁড়ে ফেলা হয়। নতুন রেজাল্ট শিট তৈরির জন্য নতুন প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাসউদ এনটিভিকে বলেন, দ্রুত অভিযুক্ত প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে সুপরিশ করা হচ্ছে। একইসঙ্গে নতুন পিসাইডিং কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনে অপরাধমূলক কোনো ঘটনায় জড়িত যে কারও বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মিজানুর রহমান, ঝিনাইদহ