পর্যটন খাতকে এগিয়ে নিতে সরকারের সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী
দেশের পর্যটনখাতকে এগিয়ে নিতে সরকারের কিছু সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
‘কুয়াকাটা ঘিরে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার কোন পরিকল্পনা আছে কিনা’ সংসদ সদস্য এবিএম মোশাররফ হোসেনের এমন এক প্রশ্নের জবাবে জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ বুধবার (১৬ এপ্রিল) একথা বলেন।
সংসদ সদস্যের প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আরও বলেন, বাংলাদেশের পর্যটনখাতকে দীর্ঘমেয়াদী, টেকসই ও পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের সুনির্দিষ্ট কিছু প্রতিশ্রুতি রয়েছে। বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয় জাতীয় পর্যটন মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে এরই মধ্যে কাজ শুরু করেছে। এই মহাপরিকল্পনা প্রণয়নে কুয়াকাটার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষা এবং পর্যটনখাতের উন্নয়নকে আমরা বিশেষভাবে গুরুত্ব দিতে চাইছি। আমার পিতার সঙ্গে এই অঞ্চলে আমিও একবার গিয়েছিলাম। তাই এই অঞ্চলের প্রতি আমার একটা দুর্বলতা রয়েছে।
এছাড়াও চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারা, পতেঙ্গা, সিবিচের মৌলিক সুবিধাদি উন্নয়ন শীর্ষক একটি প্রকল্পের সম্ভাব্যতা এরই মধ্যে যাচাই করা হচ্ছে। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় কর্তৃক কুয়াকাটা সংলগ্ন সাতটি উপজেলা গলাচিপা, কলাপাড়া, রাঙ্গাবালী, বরগুনা সদর, পাথরঘাটা, আমতলী এবং তালতলী নিয়ে পায়রা-কুয়াকাটা ইকো ট্যুরিজম নামে একটি পর্যটন এলাকা গড়ে তোলা হচ্ছে। এটি বাস্তবায়ন হলে কুয়াকাটার পর্যটনখাতের সামগ্রিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করি।
চারদিনের মুলতবির পর আজ বুধবার (১৫ এপ্রিল) আবারও বসে সংসদ অধিবেশন। আজ বেলা ১১টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৪তম দিনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে আজকের কার্যক্রম শুরু হয়।
এর আগে গত শুক্রবার (১০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম চারদিনের জন্য সংসদ অধিবেশন মুলতবি ঘোষণা করেন।
সেদিন সংসদে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর বিল, ২০২৬’, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন বিল, ২০২৬’এবং ‘ব্যাংক রেজল্যুশন বিল, ২০২৬’সহ মোট ২৪টি বিল পাস হয়। সব মিলিয়ে চলতি অধিবেশনে এ পর্যন্ত ৯১টি বিল পাস হয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে জারি করা মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে সংসদের বিশেষ কমিটি ৯৮টি অপরিবর্তিতভাবে এবং ১৫টি সংশোধনসহ পাশের সুপারিশ করে। বাকি ২০টির মধ্যে চারটি বাতিল এবং ১৬টি আরও শক্তিশালী করে নতুন বিল আকারে আনার সুপারিশ করা হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক