মোটরসাইকেলের জন্য ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপ, যুক্ত হলো আরও কয়েকটি জেলা
দেশের জ্বালানি খাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত ও ডিজিটাল ব্যবস্থাপনার প্রসারে ‘ফুয়েল পাস বিডি’ অ্যাপের পাইলটিং কার্যক্রমের পরিধি আরও বিস্তৃত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে শুধু ঢাকা জেলায় এ কার্যক্রম সীমাবদ্ধ থাকলেও, এখন থেকে দেশের আরও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা ও মেট্রোপলিটন (মহানগর) এলাকার মোটরসাইকেলচালকেরা এই সিস্টেমের আওতায় নিবন্ধনের সুযোগ পাবেন।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ঢাকা ও ঢাকা মেট্রো (মহানগর) ছাড়াও এখন থেকে নিচে উল্লেখিত অঞ্চলের নিবন্ধিত মোটরসাইকেলগুলো ‘ফুয়েল পাস বিডি’ সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত হতে পারবে–
চাঁদপুর, চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রাম মেট্রো (মহানগর), বরিশাল ও বরিশাল মেট্রো (মহানগর), খুলনা ও খুলনা মেট্রো (মহানগর), রাজশাহী ও রাজশাহী মেট্রো (মহানগর) এবং ময়মনসিংহ।
ঢাকার ১৮টি পাম্পে বিশেষ কার্যক্রম মোটরসাইকেল নিবন্ধনের পাশাপাশি সিস্টেমটির ব্যবহারিক প্রয়োগ পরীক্ষার জন্য আজ থেকেই ঢাকা জেলার মোট ১৮টি পেট্রলপাম্পে পাইলটিং কার্যক্রমের বিস্তার ঘটানো হচ্ছে। এর মাধ্যমে পাম্পগুলোতে ডিজিটাল পদ্ধতিতে জ্বালানি সংগ্রহের অভিজ্ঞতা যাচাই করা হবে।
মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, এই পাইলটিং কার্যক্রমের সাফল্যের ওপর ভিত্তি করে পর্যায়ক্রমে দেশের অন্য জেলাগুলোতেও এই সিস্টেম উন্মুক্ত করা হবে। জ্বালানি তেলের সঠিক বণ্টন নিশ্চিত করতে এবং গ্রাহক ভোগান্তি কমাতে এ উদ্যোগ অত্যন্ত ফলপ্রসূ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ফুয়েল পাস সিস্টেম যেভাবে কাজ করে:
এই ডিজিটাল ব্যবস্থাটি সরাসরি বিআরটিএর কেন্দ্রীয় ডেটাবেইসের সঙ্গে যুক্ত। চালকদের প্রথমে ওয়েবসাইটে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে। পাম্পে তেল নেওয়ার সময় নির্ধারিত কিউআর কোডটি স্ক্যান করলেই চালকের জন্য বরাদ্দকৃত তেলের পরিমাণ দেখা যাবে।
বিকল্প ব্যবস্থা: যাদের স্মার্টফোন নেই, তাঁরা ওয়েবসাইট থেকে কিউআর কোডটি প্রিন্ট করে সঙ্গে রাখতে পারবেন।
আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
১. জাতীয় পরিচয়পত্র।
২. গাড়ির ব্লু-বুক বা স্মাট কার্ড।
৩. ড্রাইভিং লাইসেন্স।
৪. সচল ফোন নম্বর এবং পাসপোর্ট সাইজের ছবি।

নিজস্ব প্রতিবেদক