ঢাকা বারের নির্বাচন শুরু আগামীকাল
ঢাকা আইনজীবী সমিতির (ঢাকা বার) কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন আগামীকাল বুধবার (২৯ এপ্রিল) ও পরদিন বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত হবে।
আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) ঢাকা বারের নির্বাচন কমিশনার রায়হান মোর্শেদ এনটিভি অনলাইনকে এ তথ্য জানিয়েছেন। এবারের নির্বাচনে ২০ হাজার ৭৮৬ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। ভোট দেওয়ার সময় প্রত্যেক ভোটারকে ঢাকা বারের আইডিকার্ড (পরিচয়পত্র) বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
রায়হান মোর্শেদ বলেন, আগামীকাল ২৯ ও ৩০ এপ্রিল সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরমধ্যে দুপুর ১টা থেকে ২টা পর্যন্ত বিরতি থাকবে। এছাড়া সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি, সম্পাদকসহ ২৩টি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচন কমিশনার রায়হান মোর্শেদ আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরে এবার ঢাকা বারের নির্বাচন হচ্ছে। এই বছর নির্বাচন অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। আমরা আইনশৃঙ্খলা নিয়ে অনেক সচেতন রয়েছি।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) সবাইকে অবগত করা হয়েছে। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা নিয়ে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি।
এদিকে এবারের নির্বাচনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা অংশগ্রহণ করছেন না। ৫ আগস্টের পূর্বে আওয়ামী লীগ (সাদা) প্যানেলে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করত এবং জামায়াত ও বিএনপি (নীল) প্যানেলে নির্বাচন অংশগ্রহণ করত। তবে এবার বিএনপি (নীল) প্যানেলে থাকলেও জামায়াত (সবুজ) প্যানেলে এককভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে।
বিএনপি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন যারা
সভাপতি পদে আনোয়ার জাহিদ ভূইয়া, সিনিয়র সহসভাপতি রেজাউল করিম চৌধুরী, সহসভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম খান, ট্রেজারার মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান আনিস, সিনিয়র সহসাধারণ সম্পাদক ইলতুমিশ সওদাগার আ্যনি, সহ-সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান জুয়েল, লাইব্রেরি সেক্রেটারি খন্দকার মাকসুদুল হাসান, কালচালার সেক্রেটারি-মারজিয়া হিরা, অফিস সেক্রেটারি আফজাল হোসেন মৃধা, স্পোর্টস সেক্রেটারি সোহেল খান, সোস্যাল ওয়েলফেয়ার সেক্রেটারি এ এইচ এম ফিরোজ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক।
কার্যকরী সদস্য পদের প্রতিদ্বন্দ্বীরা হলেন—এ এইচ এম রেজাউনুল সৈয়দ রোমিও, ফিরোজা ইয়াসমিন, মামুন মিয়া, আদনান রহমান, নজরুল ইসলাম মামুন, নিজামউদ্দিন, সামিউল, মোজাহিদুল ইসলাম সায়েম, শেখ শওকত হোসেন, সৈয়দ সারোয়ার আলম নিশান।
জামায়াত থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন যারা
সভাপতি পদে এস এম কামাল উদ্দিন, সিনিয়র সহসভাপতি শহিদুল ইসলাম, সহসভাপতি লুতফর রহমান আজাদ, সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক, ট্রেজারার আজমত হোসেন, সিনিয়র সহসাধারণ সম্পাদক শাহিন আক্তার, সহসাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ভূঁইয়া, লাইব্রেরি সেক্রেটারি শাহাদাত হোসেন, কালচালার সেক্রেটারি-বিলকিস আক্তার, অফিস সেক্রেটারি আব্দুর রাজ্জাক, স্পোর্টস সেক্রেটারি বাবুল আক্তার বাবু, সোস্যাল ওয়েলফেয়ার সেক্রেটারি মোহাম্মদ শাহাজাহান মোল্লা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ।
কার্যকরী সদস্য পদের প্রতিদ্বন্দ্বীরা হলেন—বেলাল হোসেন, দিলরুবা আক্তার, জহিরুল ইসলাম, কাওসার আহম্মেদ,কাইয়ুম হোসেন নয়ন, মহসিন রেজা, ওমর ফারক, শাহ আলম, ইউনূস ও মোশারফ হোসেন।
অপরদিকে, স্বতন্ত্র হিসেবে সভাপতি পদে মোহাম্মদ ইউনুস আলী বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক পদে বলাই চন্দ্র দেব, মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ, ট্রেজারার পদে রফিকুল ইসলাম, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে দেওয়ার আবুল হোসেন, কালচালার সেক্রেটারি পদে ওলিদা বেগম।

আদালত প্রতিবেদক