রাষ্ট্রপতির সাধারণ ক্ষমায় মুক্ত যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আব্দুল মালেক
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ঘোষিত সাধারণ ক্ষমার আওতায় অবশিষ্ট সাজা মওকুফ করে মুক্তি দেওয়া হয়েছে চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারের যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বন্দি আব্দুল মালেককে। আজ রোববার (২৪ মে) সন্ধ্যায় জেলা কারাগার থেকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।
জেলা কারাগারের জেলার মনির হোসেন জানান, এবারের ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার আওতায় সারা দেশে চারজন সাজাপ্রাপ্ত কয়েদির সাজা মওকুফ করা হয়েছে। এর মধ্যে চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারের কয়েদি আব্দুল মালেকও রয়েছেন। তার কয়েদি নম্বর ২৩০৫/এ। জেলা শহরের বুজরুক গড়গড়ি মাদ্রাসাপাড়ার মৃত মোন্তাজ মালিথার ছেলে তিনি।
নথি অনুযায়ী, আব্দুল মালেক একটি হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন ও পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত ছিলেন। মামলাটি চুয়াডাঙ্গা বিজ্ঞ অতিরিক্ত দায়রা জজ ১ম আদালতের সেশন নং ১০০/২০০৮, চুয়াডাঙ্গা থানার মামলা নং ০৮, তারিখ ১১ জুন ২০০৭, জিআর নং ১৯৬/২০০৭, ধারা ৩০২/৩৪-এর আওতাভুক্ত।
কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, আব্দুল মালেক প্রায় ১১ বছর কারাভোগ করেছেন। রাষ্ট্রপতির ক্ষমার আওতায় তার অবশিষ্ট সাজা মওকুফের আদেশসংবলিত কাগজপত্র আজ বিকেলে ই-মেইলের মাধ্যমে চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে পৌঁছে। পরে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।
মুক্তির সময় কারা ফটকে আব্দুল মালেকের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন। তারা তাকে গ্রহণ করেন।
এদিকে মুক্তিপ্রাপ্ত আব্দুল মালেককে জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে একটি লুঙ্গি ও একটি পাঞ্জাবি দেওয়া হয়। এ ছাড়া কারাগার কর্তৃপক্ষ তার অনাদায়ী পাঁচ হাজার টাকার অর্থদণ্ড পরিশোধ করে এবং পুনর্বাসন সহায়তা হিসেবে তাকে নগদ এক হাজার টাকা দেয়।

মো. আব্দুল্লাহ হক, চুয়াডাঙ্গা (সদর-আলমডাঙ্গা)