চোরের ভয়ে মাটির নিচে পুঁতে রাখা ১১ ভরি স্বর্ণ চুরি, গ্রেপ্তার ১
চোরের ভয়ে বাড়িতে মাটির নিচে পুঁতে রাখা হয়েছিল ১১ ভরি ১৪ আনা স্বর্ণালংকার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই লুকিয়ে রাখা স্বর্ণই চুরি করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। বাড়িতে চলমান নির্মাণকাজের সুযোগে সংঘটিত এই চুরির ঘটনাটি সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ার পর অভিযানে নামে পুলিশ। শেষ পর্যন্ত সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় চুরি হওয়া সম্পূর্ণ স্বর্ণালংকার উদ্ধার এবং চোরচক্রের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জেলা পুলিশের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়। গ্রেপ্তার মোমিন (৩৬) কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার বানিয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কুয়েতপ্রবাসী শাহিন আলীর পরিবারের সদস্য নার্গিস খাতুন চোরের আশঙ্কায় ১১ ভরি ১৪ আনা ওজনের স্বর্ণালংকার বাড়িতে মাটির নিচে পুঁতে রেখেছিলেন। সম্প্রতি তাদের বাড়িতে টাইলস বসানোর কাজ শুরু হলে রাজমিস্ত্রি ও শ্রমিকদের আনাগোনার সুযোগে চোরচক্রের সদস্যরা মাটির নিচ থেকে সেই স্বর্ণালংকার বের করে নিয়ে চম্পট দেয়। পরে স্বর্ণালংকার না পেয়ে চুরির বিষয়টি বুঝতে পেরে পরিবারের সদস্যরা পুলিশকে অবহিত করেন।
অভিযোগ পাওয়ার পরপরই গাংনী থানা পুলিশ তদন্তে নামে। বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় চোরকে শনাক্ত করে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে চুরি হওয়া ১১ ভরি ১৪ আনা স্বর্ণালংকার উদ্ধার এবং অভিযুক্ত মোমিনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মোর্শেদ চৌধুরী বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ ও আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অত্যন্ত দ্রুততম সময়ে অভিযুক্তকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া স্বর্ণালংকার আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতের মাধ্যমে প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এই চোরচক্রের সাথে জড়িত অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

রেজ আন উল বাসার তাপস, মেহেরপুর