ফটিকছড়ি উত্তরের সঙ্গে সুয়াবিল ইউপি ও নাজিরহাটের তিনটি ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্তি বাতিলের দাবি
উচ্চ আদালতে বিচারাধীন থাকা এবং মাঠ প্রশাসনের সুপারিশ ও স্থানীয় জনমত উপেক্ষা করে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সঙ্গে সুয়াবিল ইউনিয়ন ও নাজিরহাট পৌরসভার তিনটি ওয়ার্ড অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বৃহত্তর সুয়াবিল ইউনিয়ন অধিকার সংরক্ষণ ফোরাম। একইসঙ্গে ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা থেকে সুয়াবিল ইউনিয়ন ও নাজিরহাট পৌরসভার ওই তিনটি ওয়ার্ড বাদ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ফোরামের নেতারা।
রোববার (১২ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান সংগঠনের নেতারা । এ সময় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মনজুরুল কিবরিয়া।
সংগঠনটির দাবি, প্রশাসনিক বাস্তবতা উপেক্ষা করে একটি স্বার্থান্বেষী মহলের প্রভাবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি এক নির্দেশনায় সুয়াবিল ইউনিয়ন এবং নাজিরহাট পৌরসভার ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ড বাদ দিয়ে নতুন প্রস্তাব প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছিল। নাজিরহাট পৌরসভার এই তিনটি ওয়ার্ড এক সময় সুয়াবিল ইউনিয়নের অন্তর্ভুত ছিল। একই বিষয়ে হাইকোর্টে একাধিক রিট বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও গত ১ জুলাই জাতীয় বাস্তবায়ন, প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস ও সমন্বয় সংক্রান্ত কমিটির (নিকার) সভায় তথ্য গোপন করে বিতর্কিত প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।
ফোরামের নেতারা অভিযোগ করেন, এর পেছনে ভূমি ব্যবসাসহ ব্যক্তি-স্বার্থ জড়িত থাকতে পারে। বক্তারা এ অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।
ড. মনজুরুল কিবরিয়া বলেন, সুয়াবিল ইউনিয়ন থেকে প্রস্তাবিত উপজেলা সদর প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে, অথচ বর্তমান ফটিকছড়ি উপজেলা সদর মাত্র ৪-৫ কিলোমিটার দূরে। ফলে নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে সাধারণ মানুষের প্রশাসনিক সেবা গ্রহণে দুর্ভোগ, সময় ও ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

এনটিভি অনলাইন ডেস্ক