যৌথ ব্যবসার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা, টাকাসহ প্রতারক গ্রেপ্তার
যৌথ ব্যবসার প্রলোভন দেখিয়ে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার মাছ আত্মসাৎ করার অভিযোগে মো. ছিয়াম হোসেন (২২) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। গ্রেপ্তারের সময় তার হেফাজত থেকে আত্মসাৎকৃত মাছ বিক্রির নগদ ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৭০০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
আজ সোমবার (৫ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টার।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মামলার বাদী তরিকুল হক খান ওরফে রবিন একজন সৌদি আরব প্রবাসী। সৌদি আরবে অবস্থানকালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অভিযুক্ত ছিয়াম হোসেনের সাথে তার পরিচয় হয়। আলোচনার একপর্যায়ে ছিয়াম নিজেকে মাছ ব্যবসায়ী দাবি করে যৌথভাবে মাছের ব্যবসা করার প্রস্তাব দেন। ২০ সেপ্টেম্বর তরিকুল হক দেশে ফিরলে ছিয়াম সরাসরি দেখা করে ব্যবসার প্রস্তাব দিলে বাদী তাতে সম্মত হন।
পরবর্তীতে গত ১ অক্টোবর তারা দুজন বাগেরহাট জেলার একটি মাছের আড়ত থেকে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ২২ কার্টন চিংড়ি মাছ কিনে একটি বাসে করে ঢাকায় পাঠিয়ে দেন। মাছ বাসে পাঠিয়ে বাদী ও অভিযুক্ত ছিয়াম অন্য একটি বাসে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। ২ অক্টোবর রাত অনুমান ৯টায় বাসটি ধোলাইপাড় এলাকায় পৌঁছালে অভিযুক্ত ছিয়াম কৌশলে বাস থেকে নেমে পালিয়ে যান এবং নিজের মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেন। পরে সায়েদাবাদ বাস কাউন্টারে পৌঁছে বাদী খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন অচেনা কেউ মাছের কার্টনগুলো ট্রাকে করে নিয়ে গেছে। পরদিন ৩ অক্টোবর সকাল আনুমানিক ৮টায় মামলার বাদী জানতে পারেন গাজীপুরের চান্দনা এলাকায় অভিযুক্ত ছিয়ামকে স্থানীয় লোকজন আটক করে রেখেছে। খবর পেয়ে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশের একটি দল দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ছিয়ামকে হেফাজতে নেয় এবং তার কাছে থাকা ১২ কার্টন মাছ বিক্রির ২ লাখ ১২ হাজার ৯০০ টাকা উদ্ধার করে। পরবর্তীতে ছিয়ামের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ৩ অক্টোবর সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টায় ময়মনসিংহের নান্দাইল থেকে আরও ২ লাখ ৫৪ হাজার ৭০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক