অফিসের ডেস্কে কী রাখবেন,কী রাখবেন না
অফিসের ডেস্ক কেবল কাজের জায়গা নয়, এটি কর্মব্যস্ত দিনের একটি ছোট্ট ক্যানভাস, যেখানে কেটে যায় আপনার জীবনের মূল্যবান অনেকটা সময়। টানা আট ঘণ্টা কর্মমুখর সময় কাটানোর এই জায়গাটি যদি অগোছালো থাকে, তবে তা অজান্তেই আপনার কাজের গতি ও মানসিক প্রশান্তিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। বিপরীত দিকে, একটি সুন্দর, পরিপাটি এবং গোছানো ডেস্ক শুধু চোখের শান্তিই দেয় না, বরং কাজের প্রতি মনোযোগ বাড়াতে এবং ক্লান্তি দূর করতে জাদুর মতো কাজ করে।
তাই কর্মক্ষেত্রে নিজের কোণটিকে একটু যত্নে সুন্দর করে সাজিয়ে তোলা নিছক শৌখিনতা নয়, বরং সুস্থ ও উৎপাদনশীলভাবে কাজ করার একটি অপরিহার্য শর্ত।
অফিসের ডেস্কে কোন জিনিসগুলো আপনার কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করবে আর কোনগুলো কাজের পরিবেশ নষ্ট করতে পারে তার একটি চমৎকার ও গোছানো ধারণা পেতে নিচের পরামর্শগুলো একনজর দেখে নিতে পারেন:
১. নিজের ডেস্ক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন। প্রতিদিন অফিসের ক্লিনারকে দিয়ে ডেস্ক, কম্পিউটার, ফাইল মুছে ফেলুন। এতে ময়লা-ধুলাবালি থেকে ডেস্ক পরিষ্কার থাকবে এবং আপনিও সুস্থ থাকবেন।
২. ডেস্কের আশপাশে কাগজ মুড়িয়ে ফেলবেন না। প্রয়োজনীয় কাগজগুলো ডাস্টবিনে ফেলার চেষ্টা করুন।
৩. ডেস্কের একপাশে মোটা ফাইল রাখুন, যাতে প্রয়োজনীয় কাগজ আলাদা করে রাখতে পারেন। কলম, পেন্সিল, রাবার, মার্কার এগুলো রাখার জন্য কলমদানি কিংবা ছোট বক্স রাখতে পারেন।
৪. অফিসের প্রয়োজনীয় ফাইলের ওপর স্ন্যাকস রাখবেন না। এতে তেলের দাগ লেগে যাবে এবং দেখতেও খারাপ লাগবে।
৫. সফট টয়, ফটোফ্রেম কিংবা রঙিন মোমবাতি জাতীয় জিনিস অফিসের ডেস্কে না রাখাই ভালো।
৬. নিজের পছন্দের সেলিব্রেটির পোস্টার ভুলেও ডেস্কে লাগাবেন না। এটা খুবই হাস্যকর একটা বিষয়।
৭. সব সময় ডেস্কের ওপর ছোট একটি নোটবুক ও কলম রাখুন, যাতে সহজেই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো লিখে নিতে পারেন।
৮. নারী কর্মীরা তাঁদের ব্যাগ ডেস্কের নিচে রাখুন। আর প্রসাধনী টাইপের জিনিস ডেস্কে না রাখাই ভালো।
৯. পুরুষ কর্মীরা তাঁদের মানিব্যাগ ডেস্কে না রেখে ড্রয়ারে রাখুন। তবে যাওয়ার সময় নিতে মনে না থাকলে কিন্তু বিপদে পড়তে হবে।
১০. ডেস্কের ওপর চকলেটের খোসা, চিপসের প্যাকেট কিংবা বিস্কুটের প্যাকেট ফেলে যাবেন না। নিজের ডেস্ক নিজেরই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

ফিচার ডেস্ক