Skip to main content
NTV Online

মত-দ্বিমত

মত-দ্বিমত
  • অ ফ A
  • প্রতিক্রিয়া
  • সমসাময়িক
  • বহির্বিশ্ব
  • ব্যঙ্গ রঙ্গে
  • ফিরে দেখা
  • স্মরণ
  • বিদেশি কলাম
  • নগর দর্পণ
  • অতিথি কলাম
  • খেলাধুলা
  • পাঠকের কলাম
  • বিবিধ
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অর্থনীতি
  • শিক্ষা
  • মত-দ্বিমত
  • শিল্প ও সাহিত্য
  • জীবনধারা
  • স্বাস্থ্য
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম ও জীবন
  • নির্বাচন
  • সহজ ইংরেজি
  • প্রিয় প্রবাসী
  • আইন-কানুন
  • চাকরি চাই
  • অটোমোবাইল
  • হাস্যরস
  • শিশু-কিশোর
  • এনটিভি ইউরোপ
  • এনটিভি মালয়েশিয়া
  • এনটিভি ইউএই
  • English Version
  • এনটিভি বাজার
  • এনটিভি কানেক্ট
  • যোগাযোগ
  • English Version
  • এনটিভি ইউরোপ
  • এনটিভি অস্ট্রেলিয়া
  • এনটিভি ইউএই
  • এনটিভি মালয়েশিয়া
  • এনটিভি কানেক্ট
  • ভিডিও
  • ছবি
  • এনটিভির অনুষ্ঠান
  • বিজ্ঞাপন
  • আর্কাইভ
  • কুইজ
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অর্থনীতি
  • শিক্ষা
  • মত-দ্বিমত
  • শিল্প ও সাহিত্য
  • জীবনধারা
  • স্বাস্থ্য
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম ও জীবন
  • নির্বাচন
  • সহজ ইংরেজি
  • প্রিয় প্রবাসী
  • আইন-কানুন
  • চাকরি চাই
  • অটোমোবাইল
  • হাস্যরস
  • শিশু-কিশোর
  • এনটিভি ইউরোপ
  • এনটিভি মালয়েশিয়া
  • এনটিভি ইউএই
  • English Version
  • এনটিভি বাজার
  • এনটিভি কানেক্ট
  • যোগাযোগ
  • English Version
  • এনটিভি ইউরোপ
  • এনটিভি অস্ট্রেলিয়া
  • এনটিভি ইউএই
  • এনটিভি মালয়েশিয়া
  • এনটিভি কানেক্ট
  • ভিডিও
  • ছবি
  • এনটিভির অনুষ্ঠান
  • বিজ্ঞাপন
  • আর্কাইভ
  • কুইজ
Follow
  • মত-দ্বিমত
ফারদিন ফেরদৌস
১৬:২১, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৬
ফারদিন ফেরদৌস
১৬:২১, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৬
আপডেট: ১৬:২১, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৬
আরও খবর
লোডশেডিং কমবে কবে?
বলেন্দ্র শাহ ও বদলে যাওয়া নেপালের গল্প
ইসলামাবাদ বৈঠক: যুদ্ধ কি চলবেই?
তিল্লীর পাল পাড়া: বিলুপ্তির পথে মৃৎশিল্প
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র: যুদ্ধবিরতি স্থায়ী হবে তো?

উৎসব

ঈদ আনন্দে ঘরে ফেরার টান

ফারদিন ফেরদৌস
১৬:২১, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৬
ফারদিন ফেরদৌস
১৬:২১, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৬
আপডেট: ১৬:২১, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৬

চিলির নোবেল বিজয়ী বিশ্বনন্দিত কবি পাবলো নেরুদার ‘১০০টি প্রেমের সনেট’ কাব্যে ‘দয়িতা, এবার ঘরে ফেরার পালা’ নামে একটি সনেট রয়েছে। সেখানে তিনি লিখেছিলেন,

‘দয়িতা, এবার ঘরে ফেরার পালা

যেখানে ঘরের জাফরি বেয়ে উঠে যায় লতানো আঙুর,

গ্রীষ্ম পৌঁছে যায় মধু-মালতীর চকিত পায়ে,

তোমার আগেই, তোমার শোবার আঙিনায়।

......

আর এখন, এই তো ফিরছি, প্রেয়সী, 

সমুদ্র পার হয়ে, দুটি অন্ধ পরিযায়ী পাখি

যেভাবে নীড়ে ফেরে বহুদূর বসন্তের টানে’

মাতৃভূমি, মাতা-দুহিতা-দয়িতা, স্বজন কিংবা বন্ধু-বান্ধবের টান অথবা বসন্ত বা বর্ষার টান। প্রাণের আকুতিভরা যে টানই হোকনা না কেন, ঈদ মানে নীড়ে ফেরা, ঘরে ফেরার উৎসব। দৈনন্দিন ব্যস্ততা, দুঃখ-ক্লেশ ভুলে ঈদের উপলক্ষকে সঙ্গ করে মনটাকে চাঙ্গা করে কে না নিতে চায়? গ্রামের ছায়াঘেরা শ্যামলিমায় দুদণ্ড জিরিয়ে নিয়ে প্রাণভরে নিশ্বাস নেওয়ার ডাকে কে হায় সাড়া না দিতে চায়? শেকড়ের টানে বিশ্বচরাচরের পথিক যদি মায়ের কাছে ফিরে আহ্লাদ আলিঙ্গনে মমতার আবেশে মন-প্রাণ জুড়ায়, তবেই ঈদ আনন্দের পূর্ণতা পায়।

নিজের চেনা ঘর, আপন মানুষ, শৈশব থেকে হেঁটে চলা মেঠোপথে নিজের ভারী হয়ে যাওয়া পদযুগলকে আরেকবার শানিয়ে নেওয়া, তালপুকুরের ঘোলা জলে অনভ্যস্ত ডুব-সাঁতারের অনুশীলন করা, কে না মিস করে? ঈদকে উপলক্ষ করে নীড়ে ফিরবার পরম আনন্দ আর অন্যরকম এক অনুভব সবকিছুর সঙ্গেই তুলনারহিত। পুরোনো স্মৃতি হাতড়ে মণিমুক্তো খুঁজবার প্রথাকে জাগরূক করবার উপলক্ষই তো ঈদপার্বণ। তাই আপন আলয়ে ফিরবার টানই তো ঈদ আনন্দ।

বাঙালি মুসলিম সমাজে ঈদুল ফিতরের পর সবচেয়ে বড় উৎসব ঈদুল আজহা। পার্বণের চরিত্র সর্বোতভাবেই প্রায় ঈদুল ফিতরের মতোই। তবে ঈদুল আজহার বড় অনুষঙ্গ কোরবানি, যা মুসলমানকে ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর করে। মূলত ঈদুল আজহা হলো হজরত ইব্রাহিমের কোরবানি দানের স্মারক বা স্মরণোৎসব। ঈদুল আজহা ঘিরেই মুসলমানের পুণ্যভূমি সৌদি আরবের মক্কা ও মদিনায় অনুষ্ঠিত হয় হজ। যে হজ সারা বিশ্বের মুসলিমদের একই ছাতার নিচে মিলিত হওয়ার সুযোগ দেয়। বিভিন্ন জাতি-গোষ্ঠীর মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব ও মমতার শিক্ষা দেয় হজ।

উৎসব জিনিসটাই বাঙালির বড় প্রিয়। তার ওপর ধর্মীয় কর্তব্য যদি সেই উৎসবের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে তবে তো কথাই নেই। আনন্দ ও আরাধনার ষোলকলা যেন পূর্ণ মাত্রা পায়। আমাদের এই উৎসবপ্রীতি, এ শুধু একালের নয়? মানুষ তার সমান বয়স থেকেই গোষ্ঠীর সার্বিক অংশগ্রহণে যুথবদ্ধভাবেই নানা উৎসব পালন করে আসছে।

ইতিহাসবিদ মুনতাসীর মামুন তাঁর রচিত ‘সেই ঢাকা’ প্রবন্ধে ৫০-এর দশকের ঈদ উৎসব প্রসঙ্গে আনোয়ার হোসেনের জবানিতে বলেছেন, ঈদের চাঁদ দেখামাত্র খুশিতে আত্মহারা হয়ে উঠতাম আমরা ছোটরা। যাদের বয়স আমাদের চেয়েও কম ছিল তারা মজার একটা ছড়া আবৃত্তি করত তখন-

চান সালাম চান সালাম

চান কা আন্দার চিজ হ্যায়

আও বাবু হাত মিলাতে

কাল বাবু ঈদ হ্যায়।

বড়রা একজন আরেকজনকে সালাম জানাতেন, তারপর সমবেত হয়ে মোনাজাত করতেন। আমরা ছোটরা তখন দলবেঁধে যেতাম মুরব্বিদের কাছে, কদমবুসি করার জন্য। দূরে, একটু পর পর বাজাতে থাকত সাইরেন; ওই আওয়াজ শুনে আরো বাড়ত আমাদের আনন্দ। উনিশ শতকের শেষদিকে এবং বিশ শতকের শুরুর দিকে নবাববাড়ি থেকে তোপধ্বনি করে চাঁদ ওঠার খবর জানিয়ে দেওয়া হতো ঢাকাবাসীদের। ‘চানরাতে’ আতশবাজি জ্বালিয়ে আনন্দ করত অল্পবয়সী ছেলেমেয়েরা।

ওই রাতে বলতে গেলে মেহেদি-উৎসব চলত পুরো মহল্লায়, বলা যায় পুরো শহরে। চাঁদ বা তারার আকৃতিতে হাতে মেহেদি লাগিয়ে নিতাম আমারও। সেমাই রান্না করার ধুম পড়ে যেত মহল্লার প্রতিটি বাড়িতে। মেশিনে তৈরি করা সেমাই পাওয়া যেত না বাজারে তখন, বাড়িতে বসে হাতেই সেমাই বানাতেন বাড়ির মা-বোনরা। এসব সেমাই ঈদের দিন সকালে গরম পানিতে ধুয়ে ঘন দুধ দিয়ে রান্না করা হতো। তারপর সেগুলো ছোট ছোট পিরিচে ঢেলে দেওয়া হতো। প্রতিটা পিরিচের সেমাইয়ের ওপর কিশমিশ বা পেস্তাবাদাম ছড়িয়ে দেওয়া হতো, যাতে সৌন্দর্য আর স্বাদ দুটোই বাড়ে।

একটু খেয়াল করলেই দেখা যাবে ৫০-এর দশকের ঈদ উৎসবের যেমন আবেদন ছিল, তা তো কমেইনি বরং পুরোনো প্রথার সঙ্গে আধুনিক অনুষঙ্গ যুক্ত হয়ে ঈদকে আরো ভিন্ন মাত্রা দিয়েছে। এখন যেমন ঈদের ছুটি পেলেই হাজারো বাধাবিঘ্ন পেরিয়ে মানুষের তার জন্মভিটায় ফিরতে চান। রাজধানীবাসীর চিরায়ত ঈদ উদযাপনের সঙ্গে পাল্লা দিলে আবেগ ও আনন্দে বরং গ্রামে ফিরবার এখনকার রেওয়াজটিই এগিয়ে থাকবে। কর্ম-করণে ইট পাথরের নগরীতে মানুষ বসবাস করে বটে। খানিকটা ফুরসৎ পেলেই মানুষ ছোটে আবাল্যে ফেলে আসা সেই চিরচেনা গ্রামে। যেখানে তার নাড়ি পোঁতা। যেখান তার হৃদয়ের বন্ধন আটা কোনো এক জীর্ণ কুটিরে। খুব স্বাভাবিকভাবে আজকাল ঈদ উৎসবটাই গ্রামের সঙ্গে নগরের সেতুবন্ধ রচনা করে চলেছে। গ্রামে ফেলে আসা স্কুল থেকে ঝরে পড়া মাঠে কাজ করা কিষান বন্ধুটিকে অন্তত বছরে এক-দুবার হলেও বলবার সুযোগ মেলে : বন্ধু কী খবর বল?

মাটির পথ মাড়িয়ে শস্যক্ষেতের আল ধরে সবুজের ঘ্রাণ গায়ে মেখে হাত বাড়িয়ে বন্ধুটিকে আলিঙ্গনে বাঁধবার ঈদটাই যে সুযোগ। সমবয়সীদের সঙ্গে আড্ডা, খেলাধুলা, পুকুর বা নদীতে মাছ ধরা আর ঝাঁপাঝাঁপি কংক্রিটের শহরে মেলে না। সে থাকে মায়ের ভিটা সেই প্রাচীন গাঁয়ে।

ক্লান্ত-শ্রান্ত কাজের ঘোরে বন্দি একঘেয়ে অসহায় জীবন চায় ক্ষণিকের মুক্তি। আর ঈদ নিয়ে আসে সেই মুক্তির প্রাণপ্রবাহ। শেকড়ে ফেরাটাই তো আত্মার শুদ্ধি। তারপর আবার সেই চলমান বহমান একই ধারার জীবন কাটানো। যে জীবনে রঙ-রস-সৌন্দর্য মেলে না। জীবন ও জীবিকার দৈন্যতায় চলে শুধু কাজ আর কাজ। যেখানে রোবোটিক জীবন যেন দম দেওয়া যন্ত্র। আর সেই যন্ত্রের যন্ত্রণার ভার কেউ বয় না যান্ত্রিক ছাড়া।

শিকড় হলো নিজেকে উজাড় করে মেলে ধরবার জায়গা। স্বপ্নের মতো করে বাঁচবার স্থান। সাবলীলভাবে প্রকাশের ভূমি। সেই ভূমিমুখে যাত্রাপথে ঈদ উৎসবই হলো সোপান। আর সোপান আপনাকে নিয়ে যায় এক কঁচি ঘাসের ডগায় শিশিরবিন্দুর কাছে, পত্রপল্লবে বসে আয়েশ করা রঙিন প্রজাপতির কাছে, পুষ্পের পাঁপড়িতে বসা ফড়িংয়ের কাছে অথবা বৃষ্টিতে সদ্য স্নান করা জলে মুক্তা আগলে রাখা কোনো এক কচুপাতার কাছে।

অথবা ঈদ উৎসবের সোপান আপনাকে পৌঁছে দিতে পারে কোনো এক মানবহিতৈষী গ্রামীণ সেবক ব্রতচারীর কাছে। মানবীয় কল্যাণের আলোকচ্ছটায় আপনিও হতে পারেন আলোকিত মানুষ। ভাবতে বসে যেতে পারেন, স্বপ্ন দেখা শুরু করতে পারেন, পরার্থে জীবন কাটানোর এমন স্বপনই তো আপনিও আজীবন দেখে এসেছেন। কবি কামিনী রায় যেমন করে বলেছেন :

পরের কারণে স্বার্থ দিয়া বলি এ জীবন মন সকলি দাও

তার মতো সুখ কোথাও কি আছে? আপনার কথা ভুলিয়া যাও।

কোরবানির চেতনা আর ত্যাগের মহিমায় কোনো এক অনিকেত হৃদয়ধারী নিখাদ মানুষের সংস্পর্শ ধন্য হয়ে ধীর, সুস্থির, শান্ত, নির্লোভী, প্রেমময়, প্রজ্ঞাবান ও মহানুভব মানুষে রূপান্তরিত হয়ে আবার কর্মস্থলে ফিরতে পারেন। আপনার এবারের যাত্রা শুভ হবেই। করোটির ভেতর সুন্দর ও সত্য বোধে জাগ্রত হতেই তো আমরা সবাই উৎসবে-পার্বণে-আনন্দে নিজ নিজ নীড়ে ফিরি। প্রিয় মাটিতে আপনজনের সান্নিধ্যে সবার ঈদ উদযাপন শুভ হোক, কল্যাণময় ও মঙ্গলময় হোক।

লেখক : সংবাদকর্মী, মাছরাঙা টেলিভিশন

সর্বাধিক পঠিত
  1. লোডশেডিং কমবে কবে?
  2. সিঙ্গাপুরের সেই অশ্রুসজল দিন ও বাংলাদেশের সম্ভাবনা
  3. বলেন্দ্র শাহ ও বদলে যাওয়া নেপালের গল্প
  4. ইসলামাবাদ বৈঠক: যুদ্ধ কি চলবেই?
  5. তিল্লীর পাল পাড়া: বিলুপ্তির পথে মৃৎশিল্প
  6. শহীদ ডা.মিলন গণতন্ত্রের অতন্দ্র প্রহরী

Alhaj Mohammad Mosaddak Ali

Chairman

NTV Online, BSEC Building (Level-8), 102 Kazi Nazrul Islam Avenue, Karwan Bazar, Dhaka-1215 Telephone: +880255012281 up to 5, Fax: +880255012286 up to 7

Alhaj Mohammad Mosaddak Ali

Chairman

NTV Online, BSEC Building (Level-8), 102 Kazi Nazrul Islam Avenue, Karwan Bazar, Dhaka-1215 Telephone: +880255012281 up to 5, Fax: +880255012286 up to 7

Browse by Category

  • About NTV
  • Career
  • NTV Programmes
  • Advertisement
  • Web Mail
  • NTV FTP
  • Satellite Downlink
  • Europe Subscription
  • USA Subscription
  • Privacy Policy
  • Terms & Conditions
  • Contact
  • Archive
  • My Report

NTV Prime Android App

Find out more about our NTV: Latest Bangla News, Infotainment, Online & Live TV

Qries

Reproduction of any content, news or article published on this website is strictly prohibited. All rights reserved

x