ক্রিকেটকে বিদায় বললেন মোহাম্মাদ শরিফ
ঘটনাবহুল ২০ বছরের ক্যারিয়ার পার করা ডানহাতি পেসার মোহাম্মাদ শরিফ প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটকে বিদায় বলে দিয়েছেন। আজ শনিবার এই ঘোষণা দেন তিনি।
জাতীয় দলের হয়ে ১০টি টেস্ট এবং নয়টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন শরিফ। তবে ইনজুরির কারণে দলে নিয়মিত জায়গা করে নিতে পারেননি। ২০০১ সালে ক্যারিয়ার শুরু করেন শরিফ। ১০ টেস্টে ১৪ এবং নয় ওয়ানডেতে শিকার করেন ১০ উইকেট।
দীর্ঘ ক্যারিয়ারে শরিফ প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৩৯৩টি উইকেট পান। যোকোনো বাংলাদেশি পেসারের জন্য এটি রেকর্ড। এছাড়া তিনি ১৩২টি ম্যাচ খেলেন, এটিও যোকোনো বাংলাদেশি পেসারের জন্য রেকর্ড।
শরিফ ২০০৭ সালে সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছিলেন। এরপর থেকে জাতীয় দলে ফিরতে পারেননি। তবে ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত খেলছিলেন তিনি।
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১৫ বার পাঁচ উইকেট নেন শরিফ। তিনি একটি শতক ও ১০টি অর্ধশতকে ৩,২২২ রানও করেন।
শরিফের নামের পাশে রেকর্ড আছে আরও, হ্যাটট্রিকও করেন।
২০০১ সালের এপ্রিলে ওয়ানডে ম্যাচ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছিল শরিফের। হারারেতে মাত্র ১৫ বছর ১১৬ দিন বয়সে খেলতে নেমেছিলেন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। পরে বুলাওয়েতে টেস্ট অভিষেকও হয়েছিল তাঁর। ইতিহাসের সর্বকনিষ্ঠ পেসার হিসেবে ওয়ানডে ও টেস্ট খেলার রেকর্ডের মালিকও হয়ে ছিলেন তিনি।
অবশ্য চোটের কারণে শরিফের ক্যারিয়ার বেশিদূর এগোয়নি। ২০০৭ সালের জুলাইতে শ্রীলঙ্কা সফরে শেষ জাতীয় দলের হয়ে খেলেছিলেন তিনি।
এদিকে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ আবারও শুরু হলে অন্তত একটি ম্যাচ খেলে বিদায় নেওয়ার ইচ্ছা শরিফের, তা না হলে শেষ ম্যাচটা খেলে ফেলেছেন তিনি।

স্পোর্টস ডেস্ক