ঘোড়দৌড়ে নতুন দিগন্ত উন্মোচন
টিভি পর্দায় ঘোড়দৌড় দেখে অনেকেই হয়তো আফসোস করতেন বাংলাদেশে নেই বলে। সেই দুঃখ ঘুচবে এবার। ফর্টিস গ্রুপের কল্যাণে বাংলাদেশের মানুষ এখন নিজ দেশেই বড় পরিসরে অংশ নিতে পারবে ঘোড়দৌড়ে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) উদ্বোধন হলো ‘ফর্টিস ইকুয়েস্ট্রিয়ান ক্লাব’-এর।
ফর্টিস গ্রুপের উদ্যোগে চালু হয়েছে এই ক্লাবটি। রাজধানীর পূর্বাচলে বিস্তীর্ণ জায়গাজুড়ে ফর্টিস গ্রুপ গড়ে তুলেছে আধুনিক স্পোর্টস কমপ্লেক্স। যার নাম দিয়েছে ফর্টিস জলসিড়ি গ্রাউন্ড। যেখানে ইতোমধ্যে ফুটবল, ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টনসহ নানা খেলাধুলার অবকাঠামো তৈরি হয়েছে। এবার সেই কমপ্লেক্সে একেবারেই নতুন একটি খেলা যুক্ত করেছে ফর্টিস গ্রুপ।
অলিম্পিক গেমসের অন্তর্ভুক্ত হলেও ইকুয়েস্ট্রিয়ান খেলা বাংলাদেশে এখনও সেভাবে পরিচিত নয়। তবে বিশ্বজুড়ে এটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং সাধারণত অভিজাত শ্রেণির মানুষদের মধ্যেই বেশি প্রচলিত। এই খেলাটিকে দেশের মানুষের কাছে পরিচিত ও জনপ্রিয় করে তুলতেই ফর্টিস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহাদাত হোসেন নিয়েছেন এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ।
প্রাথমিকভাবে তিনটি ভারতীয় ঘোড়া দিয়ে ফর্টিস ইকুয়েস্ট্রিয়ান ক্লাবের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ভবিষ্যতে ইউরোপ থেকে উন্নত জাতের ঘোড়া আনার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি হর্স পোলো চালুর ব্যাপারে আশাবাদী ক্রীড়াপ্রেমী উদ্যোক্তা। ফর্টিস গ্রুপের এই উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছে ২০০৯ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ ইকুয়েস্ট্রিয়ান অ্যাসোসিয়েশনও।
ফর্টিস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘বাংলাদেশ এখনও অনেক ক্ষেত্রেই পিছিয়ে আছে। বিশ্বজুড়ে হর্স রাইডিং ও হর্স পোলো বেশ জনপ্রিয়, কিন্তু আমাদের এখানে কোনও ক্লাব নেই, কোনও টুর্নামেন্টও হয় না। সেই ভাবনা থেকেই শিশুদের একটি বৈচিত্র্যময় খেলার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে এই ক্লাবের যাত্রা শুরু করেছি। এছাড়া ফুটবল ও ক্রিকেটের বাইরে অন্য খেলাতেও আগ্রহ তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য।’

ক্রীড়া প্রতিবেদক