নতুন ভুমিকার বিষয়ে লিটন বললেন, ‘এখনো যথেষ্ট সময় আছে’
প্রথম দফায় ২০২৬ সাল পর্যন্ত টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়কত্ব দেওয়া হয়েছিল লিটন দাসকে। ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে যায়নি বাংলাদেশ। তবে বিশ্বকাপের আগে দ্বিপাক্ষিক সিরিজগুলোতে ভালো করেছে টাইগাররা।
সেই পারফরম্যান্সের কারণেই অধিনায়কত্বের মেয়াদ বেড়েছে লিটনের। নতুন করে ২০২৮ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তাকে। অধিনায়কত্ব নিয়ে আজ রোববার (২৬ এপ্রিল) চট্টগ্রামে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন লিটন।
লিটন বলেন, ‘সত্যি বলতে খুব একটা কথা হয়নি। তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা মনে করেছে আমি যোগ্য। আমি আমার কাজ করার চেষ্টা করব। দল যেভাবে ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিল, প্রস্তুতি তেমন থাকবে। অবশ্য, এখনো যথেষ্ট সময় আছে।’
মুশফিকুর রহিম জাতীয় দলে থাকাবস্থায় শুধুমাত্র টেস্টেই কিপিং করতে দেখা যেত লিটনকে। মাঝে টি-টোয়েন্টিতে কিপিং করেছেন জাকের আলী আর নুরুল হাসান সোহান। ফর্মহীনতার কারণে দলে সুযোগ পাচ্ছেন না তারা। ফলে তিন ফরম্যাটেই এখন কিপিং করছেন লিটন।
নিজের উইকেটকিপিং নিয়ে লিটন বলেন, ‘যেহেতু তিনটা ফরম্যাটেই কিপিং করছি, তাই অভিজ্ঞতা একটু বেশি হয়ে গেছে। কারণ আগে যখন খেলতাম টি-টোয়েন্টিতে ফিল্ডিং করতাম, ওয়ানডে খেলায় ফিল্ডিং করতাম, টেস্টে কিপিং করতাম। কিন্তু এখন নিজের জায়গা সম্পর্কে এবং আমার ভূমিকা সম্পর্কে সঠিক জানি। সবসময় শতভাগ দেওয়ার চেষ্টা করি।’
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ব্যাটিং নিয়ে লিটন বলেন, ‘একই সঙ্গে আপনাকে আক্রমণাত্মক মানসিকতায় যেতে হবে, আর আক্রমণাত্মক মানসিকতায় গেলে কখনো কখনো আপনি ব্যর্থ হবেন। তাই টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে এই বিষয়টা মেনে নেওয়াটাই স্বাভাবিক যে, আপনি ব্যর্থ হবেন, আবার সফলও হবেন। এভাবেই চলবে।’
টি-টোয়েন্টির শেষ কয়েকটি ম্যাচে ভালোই করেছেন লিটন। সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চান তিনি। লিটন বলেন, ‘ব্যাটিংয়ের দিক থেকে একটা ভালো বিষয় হলো যে, শেষ দুইটা সিরিজে হয়তো বড় রান হয়নি, কিন্তু অনেকক্ষণ উইকেটে সময় কাটাতে পেরেছি। এটা একটা ভালো দিক। যেহেতু ফরম্যাটটাই আলাদা। আপনি এখানে যত সময় কাটাবেন, আপনার কাছ থেকে তত রান আসবে। চেষ্টা করব ওই ধারাবাহিকতাটা ধরে রাখতে।’

স্পোর্টস ডেস্ক