বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচেই কার্ড বিতর্ক, হয়েছে ইতিহাসও
বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে মাঠের খেলায় দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে একছত্র আধিপত্য করেছে মেক্সিকো। তবে মাঠের সেই পারফরম্যান্স ছাড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় ‘লাল কার্ড’ বিতর্ক। উদ্বোধনী ম্যাচেই তিনবার লাল কার্ডসহ মোট ছয়বার কার্ড বের হয়েছে রেফারির পকেট থেকে।
অতীত পরিসংখ্যান বলছে, এবারই প্রথম বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে ৩টি লাল কার্ড দেখা গেলো। এর আগে সর্বশেষ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে লাল দেখা গিয়েছিল ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপে।
অন্য আরেকটি পরিসংখ্যান বলছে, বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটা ছিল চতুর্থ ম্যাচ, যেখানে এক ম্যাচে তিনটি লাল কার্ড দেখানো হলো। অর্থাৎ বিশ্বকাপের যেকোনো ম্যাচেই তৃতীয়বার তিনটি লাল কার্ড দেখানো হলো।
উদ্বোধনী ম্যাচে এতগুলো লাল কার্ড দেখানো নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। কেউ পক্ষ নিচ্ছেন রেফারির কঠোরতার। আবার কেউ বলছেন, অহেতুক কার্ড দেখিয়েছেন তিনি।
২০২৬ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে মুল রেফারির দায়িত্বে ছিলেন ব্রাজিলিয়ান রেফারি উইলটন সাম্পাইও। ম্যাচের ১৭তম মিনিটে প্রথমবার তার পকেট হলুদ কার্ড বের হয়। দক্ষিণ আফ্রিকার তেবোহো মোকোয়েনা হলুদ কার্ড দেখান তিনি। ছয় মিনিট পরে মেক্সিকোর ব্রায়ান গুতিয়েরেজকেও দেখান হলুদ কার্ড।
ম্যাচের ৪৯তম মিনিটে রেফারি সাম্পাইও তার পকেট থেকে প্রথমবার লাল কার্ড বের করেন। দক্ষিণ আফ্রিকার ডিফেন্ডার স্ফিফেলো সিথলকে সেটি দেখান তিনি। এরপর ৭৪তম মিনিটে ম্যাচের তৃতীয় হলুদ কার্ড দেখান দক্ষিণ আফ্রিকার এনকোসিনাতি সিবিসিকে।
ম্যাচের ৮৪তম মিনিটে দ্বিতীয়বারের মতো রেফারির পকেট থেকে লাল কার্ড বের হয়। এটিও ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার ফুটবলারের জন্যই। থেম্বা জোয়ানেকে ম্যাচের দ্বিতীয় লাল কার্ড দেখান ব্রাজিলিয়ান রেফারি সাম্পাইও।
ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে ম্যাচে তৃতীয়বারের মতো লাল কার্ড দেখান রেফারি। এবারেটি বরাদ্দ ছিল মেক্সিকোর ফুটবলার সেসার মন্তেসের জন্য।

স্পোর্টস ডেস্ক