তামিমের পর পেরেরা ঝলকে জিতল ঢাকা
ব্যাট হাতে ঢাকা প্লাটুনকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেন তামিম ইকবাল ও থিসারা পেরেরা। বল হাতে বাকি কাজ সারেন বোলাররা। ১৮১ রানের বিশাল লক্ষ্যের কাছে পোঁছানোর আগেই কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সকে আটকে দেন মাশরাফি-ওহাব রিয়াজরা।
আজ শুক্রবার বঙ্গবন্ধু বিপিএলের ষষ্ঠ ম্যাচে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সকে ২০ রানে হারিয়েছে ঢাকা প্লাটুন। গতকাল বৃহস্পতিবার নিজেদের প্রথম ম্যাচে রাজশাহী রয়্যালসের কাছে হারা ঢাকা আজ নিজেদের প্রথম জয়ের দেখা পেল। অন্যদিকে প্রথম ম্যাচে জয় পাওয়া কুমিল্লা নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে হোঁচট খেল।
মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ঢাকা প্লাটুন। ইনিংসের প্রথম বলে হারায় এনামুল হক বিজয়কে। এরপর ২৬ রানের মাথায় হারায় মেহেদি হাসানকে। তৃতীয় উইকেটে লরি ইভান্সকে নিয়ে হাল ধরেন রানের খোঁজে থাকা তামিম ইকবাল।
শুরুর দিকে বেশ সাবধানে ব্যাট করেন তামিম। প্রথম ২০ রান তুলতে খেলেন ২৭ বল। এরপর ধীরে ধীরে বোলারদের উপর চড়াও হতে থাকেন। ২৭ বলে ২০ রান করা তামিম পরের ১৩ বলে নেন ৩০ রান। বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ৪০ বলে করেন হাফসেঞ্চুরির উল্লাস।
মাঝে ২৪ বলে ২৩ রান করে বিদায় নেন লরি ইভান্স। এরপর তামিমের সঙ্গে ঝড় তোলেন থিসারা পেরেরা। ১৬তম ওভারে বড় ঝড়টা গেল আবু হায়দার রনির উপর দিয়ে। রনির বলে এক ছক্কা ও চারটি বাউন্ডারি হাঁকালেন পেরেরা। ওই ওভার থেকে ৫ বলে ২২ রান নেন পেরেরা। পরের ওভারে শানাকার বল বাউন্ডারি ছাড়া করেছেন দুই ব্যাটসম্যান।
তবে ওভারের শেষ বলে বাউন্ডারি মারতে গিয়ে শানাকার বলেই আউট হন তিনি। ফেরার আগে ৫৩ বলে ৭৪ রান করেন তামিম। যাতে ৪টি ছক্কা ও ৬টি চারের মার ছিল। তামিম ফেরার পর শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ওভারে সাত উইকেটে ১৮০ রান সংগ্রহ করে ঢাকা প্লাটুন। ইনিংস শেষে ১৭ বলে ৪২ রানে অপরাজিত ছিলেন পেরেরা।
১৮১ রানের লক্ষ্যে জবাব দিতে নেমে শুরুটা দুর্দান্ত করলেও সেই ছন্দ ধরে রাখতে পারেনি কুমিল্লা। ঢাকার বোলারদের সামনে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৬০ রানে থামে রেড জার্সিরা। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৫ বলে ৪০ রান করেন ডেভিড মালান। ২৬ বলে ৩৫ রান করেন সৌম্য সরকার। ২৯ রান আসে রাজাপাকশের ব্যাট থেকে।
ঢাকার হয়ে ব্যাট হাতে ১৭ বলে ৪২ রানের পর বল হাতে ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন থিসারা পেরেরা।

ক্রীড়া প্রতিবেদক