তামিমের রেকর্ড ভাঙতে পারেন যে তিনজন
ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের ইনিংস ১১ বছর ধরেই নিজের দখলে রেখেছেন তামিম ইকবাল। এবার সেটাকে আরো পোক্ত করে নিলেন বাঁহাতি ওপেনার। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেললেন ১৫৮ রানের বিশাল ইনিংস। তবে তামিম মনে করেন, এবারের রেকর্ড খুব দ্রুতই ভেঙে যাবে। যে তিনজন এই রেকর্ড ভাঙতে পারেন বলে তামিম মনে করেন তাঁরা হলেন মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস ও নাজমুল হোসেন শান্ত।
২০০৯ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই ১৫৪ রান করেছিলেন তামিম। এত দিন এটাই ছিল তাঁর ক্যারিয়ারসেরা। শুধু তামিম নয়, ওয়ানডেতেই এটি ছিল বাংলাদেশের কোনো ব্যাটসম্যানের সেরা ইনিংস। ৫০ ওভারের ক্রিকেটে বাংলাদেশের আর কারো দেড়শ নেই। এবার নিজেকে আরো উচ্চতায় নিয়ে গেলেন দেশসেরা ওপেনার। করেছেন ১৫৮ রান।
তামিমের পর ওয়ানডেতে সর্বাধিক রানের ইনিংস খেলা ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৪৪ রানই তাঁর ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ।
যদিও এই রেকর্ড বেশিদিন টিকবে না বলে মনে করেন তামিম। জানালেন কারা তাঁর রেকর্ড ভাঙতে এগিয়ে আছেন, ‘মুশফিক অবশ্যই আমার রেকর্ড ভাঙার সামর্থ্য রাখে। মুশফিক একাই নয়, আমাদের দলে তরুণ যারা আছে লিটন, শান্ত, ওরাও খুব সামর্থ্যবান। শান্ত তো কিছুদিন আগে ট্রিপল সেঞ্চুরির খুব কাছে চলে গিয়েছিল, আড়াইশ করেছিল।’
এরপর তামিম বলেন, ‘আমার মনে হয় না, এবার রেকর্ড খুব বেশিদিন টিকবে। আমার অনুমান, দু-তিন বছরের মধ্যেই ভেঙে যাবে রেকর্ড। এমনকি আগামী বছরও ভেঙে যেতে পারে।’
গত মঙ্গলবার জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ১৫৮ রানের চমৎকার ইনিংস খেলে সাত হাজার রান পূর্ণ করেন তামিম। ম্যাচটিতে মাঠে নামার আগে ৮৪ রান দূরে ছিলেন দেশসেরা ওপেনার। ব্যাট করতে নেমে ২৭তম ওভারে ডোনাল্ড টিরিপানোকে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে পৌঁছে যান সাত হাজারের ঘরে।
২০৬ ওয়ানডেতে ২০৪ ইনিংস খেলে এই কীর্তি গড়েন তামিম। এই দিনে দুই কিংবদন্তি ক্রিকেটার রাহুল দ্রাবিড় ও জাভেদ মিয়াঁদাদকে স্পর্শ করেন তামিম। অবশ্য সবচেয়ে কম ইনিংস খেলে সাত হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার হাশিম আমলা। ১৫০ ইনিংস খেলে বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন তিনি। এরপর দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে ১৬১ ইনিংস খেলে এই মাইলফলকে পৌঁছান ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলি।

ক্রীড়া প্রতিবেদক