পাহাড় টপকে নিউজিল্যান্ডের দারুণ জয়
সামনে রানের পাহাড়। জয়ের জন্য নিউজিল্যান্ডের চাই ৩৪৮ রান। ভারতের গড়া এই বিশাল সংগ্রহ টপকে রীতিমতো তাক লাগিয়ে দিয়েছে কিউইরা। ম্যাচে স্বাগতিকরা জিতেছে চার উইকেটে।
আজ বুধবার হ্যামিলটনে রস টেইলরের বিধ্বংসী ইনিংসের ওপর ভর করে এই দারুণ জয় পায় নিউজিল্যান্ড। ম্যাচে চার নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ১০৯ রানের হার-না-মানা ইনিংস খেলেন টেইলর। ৮৪ বল খরচায় ১০টি চার ও চারটি ছক্কায় ইনিংসটি সাজান তিনি।
হেনরি নিকোলাস ও অধিনায়ক টম ল্যাথামও দারুণ দুটি ইনিংস খেলে টেইলরকে যোগ্য সহায়তা দেন। নিকোলাস ৮২ বলে ৭৮ রান এবং ল্যাথাম ৪৮ বলে ৬৯ রান করেন। ভারতীয় বোলাররা খুব একটা চাপে ফেলতে পারেননি নিউজিল্যান্ড ব্যাটসম্যানদের।
এদিকে, শ্রেয়াস আইয়ার ওয়ানডেতে নিজের প্রথম শতরান করে ভারতকে গড়ে দিয়েছিলেন বিশাল সংগ্রহ। নির্ধারিত ৫০ ওভারে কোহলিরা গড়ে ৩৪৭ রান।
নিজের প্রথম শতরান হাঁকাতে শ্রেয়াসকে অপেক্ষা করতে হয় ক্যারিয়ারের ১৬তম ম্যাচ পর্যন্ত। এর আগে একদিনের ক্রিকেটে শ্রেয়াসের সর্বোচ্চ স্কোর ছিল ৮৮। ২০১৭ সালে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে এই ইনিংস খেলেছিলেন তিনি।
তবে শ্রেয়াসের এই ইনিংস অন্য কারণে গুরুত্বপূর্ণ। চাপের মুখে পারফর্ম করলেন তিনি। তিনি যখন ব্যাট করতে নেমেছিলেন, তখন ভারত ২ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছে। ওয়ানডেতে অভিষেক হওয়া দুই ভারতীয় ওপেনার মায়াঙ্ক আগারওয়াল ও পৃথ্বী শ দুজনেই ফিরে গিয়েছিলেন। অধিনায়ক কোহলির সঙ্গে সেই সময় ইনিংসের হাল ধরেন শ্রেয়াস। তৃতীয় উইকেটে কোহলি-শ্রেয়াস ১০০ রানের পার্টনারশিপ গড়েন। এর পর কোহলি হাফসেঞ্চুরি করে ফিরে গেলেও শ্রেয়াস ভারতীয় ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যান।
৪৩তম ওভারে শ্রেয়াস নিজের শতরান পূর্ণ করেন ঠিক ১০১ বলে। কোহলি (৫১) ফিরে যাওয়ার পরে লোকেশ রাহুলের সঙ্গেও চতুর্থ উইকেটে সেঞ্চুরি-পার্টনারশিপে দলের বড় সংগ্রহ তোলা নিশ্চিত করেন তিনি।
যদিও এদিন ভাগ্যের সহায়তাও পেয়েছেন শ্রেয়াস। ব্যক্তিগত ৮, ১৫ এবং ৮৩ রানের মাথায় ক্যাচ তুলে দিয়েছিলেন তিনি। তবে কিউইরা সেই সুযোগের কাজে লাগাতে পারেনি। পরে শ্রেয়াসকে ফেরান স্যান্টনার। কেদার যাদবের সঙ্গে পঞ্চম উইকেটে রাহুল দলকে সাড়ে তিনশ পর্যন্ত পৌঁছে দেন। কেএল রাহুল ও কেদার যাদব শেষ পর্যন্ত যথাক্রমে ৮৮ ও ২৬ রানে অপরাজিত থাকেন। তবে শেষ পর্যন্ত বড় সংগ্রহও কাজে আসেনি।

স্পোর্টস ডেস্ক