শেষ মুহূর্তে হতাশ হয়ে গিয়েছিলেন রনি
শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল ১৬ রান। এক প্রান্তে মারকুটে ব্যাটসম্যান ডেভিড মালান, অন্য প্রান্তে বোলার আবু হায়দার রনি। তাঁর লক্ষ্যই ছিল মালানকে সঙ্গ দেওয়া। অথচ শ্বাসরুদ্ধকর শেষ ওভারে পুরো পরিস্থিতে পাল্টে যায়। আউট হয়ে যান মালান। সেট ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে কিছুটা হতাশ হয়ে পড়েন এই তরুণ বাংলাদেশি পেসার।
মালানকে সঙ্গ দিতে এসে রনি নিজেই দলের দায়িত্ব নেন। একবলে মারেন বাউন্ডারি, পরের বলে ছক্কা। পরক্ষণে রান আউটের ফাঁদে পড়ে আউট হয়ে যান মালান। জয়ের জন্য তখন শেষ বলে দরকার তিন রান। সে মুহূর্তে আরেক বোলার মুজিব উর রহমান এসে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে জিতিয়ে দেন কুমিল্লাকে।
তবে সেই মুহূর্তে মালানকে হারিয়ে হতাশ হয়ে গিয়েছিলেন রনি। এক বলে তিন রান নিতে পারবেন কিনা সেটা ভেবেই হতাশ হয়ে গিয়েছিলেন। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে রনি বলেন, ‘আসলে সেই সময় সহজ ছিল না। চাপের মুখে একজন নতুন ব্যাটসম্যান এসে এক বলে তিন রান করা, অনেক কঠিন। আর মালান যখন ছিল, সে সেট ব্যাটসম্যান ছিল। ওর জন্য সহজ হতো বিষয়টা। লেগ সাইডটা ছোট ছিল ওর জন্য। কিন্তু একজন নতুন ব্যাটসম্যানের জন্য ইনিংসের শেষ বলে তিন রান করা কঠিন ছিল, এ কারণে শেষে একটু হতাশ হয়ে গিয়েছিলাম।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমার পরিকল্পনা ছিল মালানকে স্ট্রাইক দেওয়া। শেষ ওভার যখন খেলা চলে এসেছে এক রান দেওয়ার অবস্থা ছিল না। কারণ রান প্রয়োজন ছিল ১৬। আমিও চেষ্টা করেছি মেরে রান নেওয়ার। সেক্ষেত্রে নতুন ব্যাটসম্যান এসে এক বলে তিন রান করা কঠিন। এই জন্য আমাদের একটু সমস্যা হয়ে গিয়েছিল।’
চলমান বিপিএলে খুব একটা ভালো অবস্থানে নেই কুমিল্লা। আজকের ম্যাচের আগে সাত ম্যাচে চার পয়েন্ট নিয়ে পাঁচ নম্বরে তাঁদের অবস্থান। সেক্ষেত্রে আজকের জয়ে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরেছে কুমিল্লা শিবিরে।
এ ব্যাপারে রনি বলেন, ‘প্লে অফের কথা চিন্তা করলে এই ম্যাচটি আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ এই ম্যাচটি যদি আমরা হেরে যেতাম তাহলে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যেতাম। এই ম্যাচটি জেতার পরে এখনো চারটি ম্যাচ আছে। চারটি ম্যাচে কি হয় কেউ বলতে পারবে না। আমরা যদি চারটায় তিনটি কিংবা চারটিই জিততে পারি তাহলে আমাদের জন্য এখনও সুযোগ আছে।’

ক্রীড়া প্রতিবেদক