টানা দ্বিতীয় ম্যাচে জয় রূপগঞ্জের
মাশরাফি-মুশফিক ইংল্যান্ডে চলে যাওয়ার পর টানা দুটি ম্যাচে হেরেছিল লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। ব্যর্থতা কাটিয়ে গত ম্যাচে জয়ের ধারায় ফিরে আসরের অন্যতম শিরোপাপ্রত্যাশী দলটি। গত ম্যাচে ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাবকে হারানোর পর আজ খেলাঘর সমাজকল্যাণ সমিতির বিপক্ষেও জয় পেয়েছে মোশাররফ হোসেন রুবেল-নাঈম ইসলামের দল। ২৮ রানে খেলাঘরের বিপক্ষে জিতেছে রূপগঞ্জ। প্রথমে ব্যাটিং করে ইয়াসির আলীর হাফ সেঞ্চুরিতে ২৩৯ রান করে রূপগঞ্জ। জবাবে ২১১ রানে অলআউট হয়ে যায় খেলাঘর।
ফতুল্লার খানসাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিং করতে নেমে হাসানুজ্জামান ও পিনাক ঘোষের ব্যাটে ভালো সূচনা পায় রূপগঞ্জ। এই দুজন সংগ্রহ করেন ৪৪ রান। তানভীরের বলে হাসানুজ্জামান আউট হওয়ার খানিকবাদে ফিরে যান পিনাক ঘোষও। এরপর দলীয় ১০৫ রানের মধ্যে পাঁচ উইকেট হারিয়ে বেশ চাপে পড়ে যায় রূপগঞ্জ। ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে প্রতিরোধ গড়েন রাজা আলী দার ও ইয়াসির আলী। এই দুজন তোলেন ৯৪ রান। দলীয় ১৯৯ রানে আউট হন রাজা আলী। ৪৬ রান করেন তিনি। এরপর টিকতে পারেননি ইয়াসিরও। ৫৯ রান করে ডলার মাহমুদের বলে বোল্ড হন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৪৯ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৩৯ রান তোলে রূপগঞ্জ।
২৪০ রানের জবাবে ব্যাটিং করতে নেমে রূপগঞ্জের বোলারদের তোপে পড়েন খেলাঘরের ব্যাটসম্যানরা। ইনিংসের প্রথম বলেই রবিউলকে ফেরান মোহাম্মদ শরিফ। এরপর দ্বিতীয় উইকেটে ৬২ রান যোগ করে দলকে জয়ের পথেই রাখেন নাজমুস সাদাত ও সালাহউদ্দিন পাপ্পু। পাপ্পুকে ফিরিয়ে ব্রেক থ্রু নিয়ে আসেন রাজা আলী দার। এরপর অমিত মজুমদারকে ফেরান মোশাররফ হোসেন। দলীয় ১০২ রানে ব্যক্তিগত ৫২ রান করে আউট হন নাজমুস সাদাত। এরপর নাজিমুদ্দিন একাই খেলাঘরের ইনিংস টানতে থাকেন। তবে অপর প্রান্ত থেকে যোগ্য সাহচর্য পাননি তিনি। আউট হওয়ার আগে ৫৯ রান করেন নাজিমুদ্দিন। শেষ পর্যন্ত ২১১ রানে অলআউট হয় খেলাঘর। রূপগঞ্জের মোশাররফ হোসেন রুবেল, মোহাম্মদ শরীফ, নাঈম ইসলাম ও রাজা আলী দার নেন দুটি করে উইকেট। এ ছাড়া মাহমুদুল হাসান নেন একটি উইকেট।

স্পোর্টস ডেস্ক